বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী টুর্নামেন্টের বাছাইপর্বে ভালো অবস্থানে থেকেও শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত গ্রুপের শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামের বিপক্ষে ড্র করলেই তৃতীয় স্থান নিশ্চিত হতো, আর অন্য গ্রুপগুলোর নির্দিষ্ট ফলাফলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনাও ছিল। তবে সেই সব সমীকরণ ভেস্তে যায় ০-১ গোলের পরাজয়ে।
ম্যাচে বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার শুরুতে ভালো পারফরম্যান্স দেখালেও একটি ভুলই বড় হয়ে দাঁড়ায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে বক্সের সামনে পাওয়া ফ্রি কিক থেকে বল ধরতে এগিয়ে এসে সেটি ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি তিনি। তার হাত ফস্কে যাওয়া বল সহজেই হেড করে জালে পাঠান ভিয়েতনামের এক ফরোয়ার্ড। এই হারের ফলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় বাংলাদেশকে।
গোল পরিশোধের জন্য আরো ৪০ মিনিট সময় পেয়েছিল বাংলাদেশ। গোল পরিশোধের মতো আক্রমণ ও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ভিয়েতনাম বল পজিশনে এগিয়ে থাকলেও গোল ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। ফলে ০-১ স্কোরলাইনেই খেলা শেষ হয়।
থাইল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন সাগরিকা। আজ ম্যাচের প্রথমার্ধে তিনি দুর্দান্ত সুযোগ পেয়েছিলেন। ভিয়েতনামের গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে পাঠাতে পারেননি। সাগরিকার ঐ সুযোগ ছাড়া বাংলাদেশ আর সেই রকম গোলের স্পষ্ট সুযোগ পায়নি।
সিনিয়র নারী এশিয়া কাপের মতো অ-২০ টুর্নামেন্টেও বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেছে। অভিষেক ম্যাচে সাগরিকার জোড়া গোলে ৬৯ মিনিট পর্যন্ত লিড ছিল বাংলাদেশের। এরপর দুই ডিফেন্ডারের ভুলে দুই পেনাল্টিতে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। আরেকটি গোল হজম করে শুন্য হাতেই মাঠ ছাড়তে হয়। পরের ম্যাচে শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে প্রথমার্ধ গোলশুন্য ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল হজম করে। থাইল্যান্ড ও চীনের বিপক্ষে পারফরম্যান্সের পর ভিয়েতনাম ম্যাচে অন্তত ড্র প্রত্যাশা ছিল। মিলির ভুলে সেটাও আর হয়নি।