বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

লোভ-ভয় দেখিয়ে বোর্ড পরিচালককে পদত্যাগ করানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া। রোববার (৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচনে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের তদন্ত করতে গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)’র একটি কমিটি। রোববার এই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এনএসসিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তদন্তের অংশ হিসেবে কমিটির সদস্যরা বিসিবির বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাৎকারে মুখোমুখি হন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া দেননি।
আসিফ লিখেন, প্রথমত, একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বিসিবির উপর এখতিয়ার বহির্ভূত ভাবে তদন্ত করছে মন্ত্রণালয়। দ্বিতীয়ত, তদন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপনেই সিদ্ধান্ত দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তৃতীয়ত, উচ্চ আদালতে বিচারাধীন একটি বিষয়ে তদন্ত করে তদন্ত কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট সকলে আদালত অবমাননা করছেন।
আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই এ নিয়ে সাতজন পরিচালক সরে দাঁড়ালেন। এর আগে ২৪ জানুয়ারি গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ইশতিয়াক সাদেক ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। ২৩ মার্চ মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যানের পদ হারানোর পর পরিচালক পদ থেকে সরে দাঁড়ান আমজাদ হোসেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) বোর্ড সভার দিনে করেছেন আরও চার পরিচালক।
সভা শেষ হওয়ার আগেই প্রথমে পদত্যাগ করেন ফাইয়াজুর রহমান। এরপর সভা শেষে দায়িত্ব ছাড়েন শানিয়ান তানিম ও মেহরাব আলম চৌধুরী। মধ্যরাতে পদত্যাগের তালিকায় যোগ দেন মঞ্জুর আলম। এই চারজনই বিসিবির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। ফাইয়াজুর রহমান ছিলেন ডিসিপ্লিনারি কমিটির চেয়ারম্যান ও সিসিডিএমের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান।
শানিয়ান তানিম দায়িত্বে ছিলেন ফ্যাসিলিটিজ ম্যানেজমেন্ট কমিটির, মেহরাব আলম চৌধুরী ছিলেন সিকিউরিটি কমিটির প্রধান এবং মঞ্জুর আলম দেখভাল করছিলেন মেডিকেল বিভাগ।
আসিফের দাবি এই সাত পরিচালক পদত্যাগ করেছেন লোভে পড়ে। আসিফ লিখেন, চতুর্থত, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বোর্ড ডিরেক্টরদের পরের বোর্ডে ডিরেক্টর পদের লোভ, লোভে রাজি না হলে ভয় দেখিয়ে পদত্যাগ করাচ্ছেন।
একদশ শেষে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও লিখেন, যখন আমাকে তদন্ত কমিটি থেকে সাক্ষাৎকাদের বিষয়ে জানানো হলো। উচ্চ আদালতে বিচারাধীন বিষয় এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তাঁরা তদন্ত করতে পারেন কিনা জানতে চেয়ে কোন সদুত্তর পাইনি। কিভাবে সরকার চালাতে হয়, কিভাবে প্রজ্ঞাপন দিতে হয়, কোনটা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, কোনটা বিচারাধীন বিষয়, কোনটা আদালত অবমাননা এটা হয়তো আপনারা বোঝেন না অথবা তোয়াক্কা করেন না।
তিনি লিখেন, আমি তো আর জেনে-বুঝে এসব নিয়মবহির্ভূত আর আদালত অবমাননার মতো কাজে শামিল হব না। এজন্যই বিসিবি সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকারের নোটিশে আমি সাড়া দেইনি।