বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় নিরাপত্তা সংশয়কে কেন্দ্র করে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট কূটনীতি। সেই সময়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারত সফরে যাননি লিটন দাসসহ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। একই ইস্যুকে ঘিরে বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়েও তৈরি হয় নানা জটিলতা, যার প্রভাব পড়ে বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট সম্পর্কেও।
তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের সামনে সিরিজ আছে, সেসব নিয়ে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে।
তবে নির্দিষ্ট কোনো সিরিজ নিয়ে কথা হয়নি বলেও জানান তিনি।
এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির এক কর্মকর্তা বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কিছুটা খারাপ হয়েছিল, এটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এখন আমরা সেই সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছি।
আইসিসির ভবিষ্যৎ সফরসূচি (এফটিপি) অনুযায়ী ভারতের বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল। ভারতের পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের সেই সিরিজটি তখন অনুরোধ করে স্থগিত করা হয়েছিল। স্বাভাবিক নিয়মে সেটি এ বছর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা, আর সে আশাই করছে বিসিবিও। বোর্ডের বাৎসরিক সূচিতেও সিরিজটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুর পর ভারত শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে আসবে কি না—এ নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। সে কারণেই বিসিবির পক্ষ থেকে এখন থেকেই সম্পর্ক উন্নয়নের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নারী ক্রিকেটসহ সামনে বেশ কয়েকটি টুর্নামেন্টে ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ আয়োজকত্ব থাকায় বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বিসিবি।