বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে (আইএফএ) আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (পিএফএ)। ফিফার একটি প্রতিবেদনে বৈষম্যবিরোধী নীতিমালার একাধিক লঙ্ঘনের ইঙ্গিত পাওয়ার পর এ দাবি আরও জোরালোভাবে সামনে আনে পিএফএ।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) পশ্চিম তীরের এল-বিরেহ শহরে সংবাদ সম্মেলনে ফিলিস্তিন ফুটবলের সভাপতি জিবরিল রাজুব বলেন, ‘আমরা আমাদের অধিকার বজায় রাখছি এবং চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি যাতে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে আন্তর্জাতিক সব সংস্থা থেকে বহিষ্কার করা হয়।’
এর আগে ফিফা বৈষম্যবিরোধী নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে আইএফএকে ১ লাখ ৫০ হাজার সুইস ফ্রাঁ (প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার ডলার) জরিমানা করে। এই সিদ্ধান্তকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বললেও রাজুব মনে করেন, এটি যথেষ্ট নয়।
নিষেধাজ্ঞার দাবির পক্ষে রাজুব কয়েকটি কারণ তুলে ধরেন। তার অভিযোগ, ইসরায়েল ফুটবলে ‘বর্ণবাদী মনোভাব’ বিদ্যমান, কিছু ক্রীড়া কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে এবং পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিতে থাকা ক্লাবগুলোকে আইএফএর অধীনে রাখা হয়েছে।
ফিফার শৃঙ্খলা কমিটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘ধারাবাহিক ও নথিভুক্ত বর্ণবাদী আচরণ’ এর জন্য বেইতার জেরুজালেম ক্লাবের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে আইএফএ।
রাজুব বলেন, ‘বেইতার জেরুজালেম বর্ণবাদ, ফ্যাসিবাদ ও বৈষম্যের একটি চরম উদাহরণ। তবে এমন প্রবণতা ইসরায়েলের আরও অনেক ক্লাবেই রয়েছে।’
ইসরায়েলি ক্রীড়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গাজায় চলমান যুদ্ধের সময় বহু খেলোয়াড় নিহত হয়েছেন এবং ক্রীড়া অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। তার দাবি, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় ১,০০৭ জন ক্রীড়াবিদ ও কোচ নিহত হয়েছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২৬৫টি ক্রীড়া স্থাপনা।
তবে গাজায় গণমাধ্যমের সীমিত প্রবেশাধিকার ও চলাচল নিয়ন্ত্রণের কারণে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, দখলকৃত পশ্চিম তীরের অন্তত পাঁচটি ইসরায়েলি বসতি-ভিত্তিক ক্লাব আইএফএর সদস্য হিসেবে ইসরায়েলের লিগে অংশ নিচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে পৃথক তদন্ত শেষে ফিফা জানিয়েছে, এসব ক্লাবের অংশগ্রহণের অভিযোগে আইএফএর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সাল থেকে ইসরায়েলের দখলে থাকা পশ্চিম তীরের বসতিগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ বলে জাতিসংঘ একাধিকবার উল্লেখ করেছে। বর্তমানে ইসরায়েল ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার সদস্য।