বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক স্বাগতিক ভারত ও ইংল্যান্ড। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত এ ম্যাচ। শিরোপার দৌড়ে এগিয়ে যেতে দুই দলের জন্যই এটি গুরুত্বপূর্ণ লড়াই।
বিশ্বকাপের এই ম্যাচটিকে ঘিরে উত্তেজনাও কিছুটা আলাদা। একদিকে ক্রিকেটের ‘জন্মভূমি’ ইংল্যান্ড, অন্যদিকে ক্রিকেটের ‘পুণ্যভূমি’ ভারত- ফলে মাঠের লড়াইয়ে বাড়তি রোমাঞ্চের অপেক্ষায় আছেন দর্শক-সমর্থকেরা।
ম্যাচটির ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করতে পারে দুই দলের সেরা পেসারদের পারফরম্যান্সের ওপর। জফরা আর্চার ও যশপ্রীত বুমরা- এই দুই গতিতারকার বোলিং দ্বৈরথই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করে দিতে পারে কে যাবে ফাইনালে।
চলতি বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত ৭ ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়েছেন আর্চার। পাওয়ার প্লেতে ম্যাচপ্রতি গড়ে তাঁকে দিয়ে প্রায় তিন ওভার করে বোলিং করিয়েছে ইংল্যান্ড। এই ৭ ম্যাচের মধ্যে পাঁচ ম্যাচেই পাওয়ারপ্লেতে উইকেট নিয়েছেন আর্চার।
বুমরার ভূমিকা একটু আলাদা। ভারত যখনই বিপদ বুঝেছে, তখনই তাঁকে আক্রমণে এনে উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করেছে। পাওয়ারপ্লেতে গড়ে এক ওভারের সামান্য বেশি বোলিং করেছেন বুমরা। তবে এবার টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচে পাওয়ারপ্লেতে একটি ওভারও বোলিং করেননি বুমরা।
ভারতের এই ফাস্ট বোলারের ভূমিকা মূলত দু’রকম—আক্রমণ ও রক্ষণ। বিপদের সময় উইকেট এনে দেওয়ার পাশাপাশি রানের চাকা আটকানো। ব্লক হোলে বল ফেলতে পারেন ধারাবাহিকভাবে। শট খেলতে জায়গা দেন না।
২০২২ বিশ্বকাপে ভারতকে ১০ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছিল ইংল্যান্ড, আর ২০২৪ সালের আসরে থ্রি লায়ন্সদের ৬৮ রানে হারিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছিল ম্যান ইন ব্লুরা। সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে ভারত ও ইংল্যান্ড মোট পাঁচবার মুখোমুখি হয়। যেখানে তিনবার জিতেছে ভারত ও ২ বার জিতেছে থ্রি লায়ন্সরা।
সামগ্রিক পরিসংখ্যানেও ভারত অনেকটাই এগিয়ে। দু’দল আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মোট ২৯ বার একে অপরের মুখোমুখি হয়। যেখানে ১৭ বার জিতেছে ভারত ও ১২ জয় ইংল্যান্ডের।
যেখানে শেষ ৪ বছরে একচ্ছত্র আধিপত্য ভারতের, ২০২২ বিশ্বকাপের পর এখন পর্যন্ত আয়োজিত মোট ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই জিতেছে ভারত, ইংল্যান্ডের জয় মাত্র এক ম্যাচে।
অবশ্য এবারের বিশ্বকাপে দু’দলের অবস্থা প্রায় সমানে সমান। দু’দলই হেরেছে একটি করে ম্যাচে। ইংল্যান্ডের একমাত্র হার গ্রুপ পর্বে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। তবে সুপার এইটে তিন ম্যাচের সবগুলোই জেতে তারা। সাবেক দুই চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের পাশাপাশি, ইতোমধ্যে ফাইনালে ওঠা নিউজিল্যান্ডকেও উড়িয়ে দেয় তারা।
অন্যদিকে গ্রুপ পর্বে উড়তে থাকা ভারত হোচট খায় সুপার এইটের প্রথম ম্যাচেই। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বাজেভাবে হেরে যায় তারা। তবে বাকি দুই ম্যাচ জিতে নিশ্চিত করে সেমিফাইনাল।
ওয়াংখেড়ের ভরা গ্যালারি ভারতকে দেবে বাড়তি আত্মবিশ্বাস, অন্যদিকে ইংলিশরা আছে বেশ ছন্দে। ফলে লড়াইটা জমজমাট হতে চলেছে সেটা নিয়ে নিশ্চয়ই কারো দ্বিধা নেই।