বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল (সংগৃহীত)
পশ্চিম এশিয়ার আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে তারাই প্রথম এ ধরনের জটিলতার মুখোমুখি হলো।
রোববার (০১ মার্চ) দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ ম্যাচ খেলার পর দলটিকে আপাতত ভারতে অবস্থান করতে হচ্ছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজিত চলমান আসর থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোকে নিরাপদে দেশে পাঠাতে বিকল্প রুট খুঁজছেন আয়োজকরা।
ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো জানিয়েছে, জিম্বাবুয়ে দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ধাপে ধাপে ফেরানোর পরিকল্পনা ছিল। প্রথম অংশের সদস্যদের সোমবার (০২ মার্চ) ভোরে এবং বাকিদের পরে দিল্লি থেকে এমিরেটসের ফ্লাইটে দুবাই হয়ে হারারে পৌঁছানোর কথা ছিল।
তবে আকাশপথের জটিলতার কারণে বিকল্প এয়ারলাইনস বা নতুন রুট নিয়েও তাৎক্ষণিক সমাধান মিলছে না। ফলে অন্তত ৪ মার্চ পর্যন্ত দিল্লির হোটেলেই অবস্থান করতে হচ্ছে জিম্বাবুয়ে দলকে।
দলের ভ্রমণ পরিকল্পনা নিয়ে ধোঁয়াশার বিষয়ে জিম্বাবুয়ের কোচ জাস্টিন স্যামনস বলেন, না, এমন কিছু আমি শুনিনি। খেলা শুরুর আগে কোনো খবর ছিল না। এরপর আমরা ম্যাচ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, তাই নতুন কিছু জানা নেই।
অন্যদিকে, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সুপার এইট থেকে ছিটকে যাওয়া পাকিস্তান দল লঙ্কান এয়ারলাইনসের বিশেষ ফ্লাইটে কলম্বো থেকে লাহোরে পৌঁছেছে।
এদিন সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বিনিময়ের ঘটনায় পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর আকাশপথ বন্ধ হয়ে যায়। এতে আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা ওলটপালট হয়ে পড়েছে; বাতিল করতে হয়েছে অসংখ্য ফ্লাইট।
আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা এই ‘পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির’ ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সংশ্লিষ্ট সকলের ভ্রমণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ‘জরুরি পরিকল্পনা’ গ্রহণ করা হয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের সঙ্গে টুর্নামেন্ট সরাসরি যুক্ত না থাকলেও খেলোয়াড়, অফিশিয়াল ও সম্প্রচার কর্মীদের একটি বড় অংশ দুবাইয়ের মতো হাবগুলো ব্যবহার করে যাতায়াত করেন।
আইসিসি-র ট্রাভেল ও লজিস্টিকস টিম বর্তমানে ইউরোপ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিতের চেষ্টা করছে। পরিস্থিতির আপডেট জানাতে একটি বিশেষ সাপোর্ট ডেস্কও চালু করা হয়েছে।