বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

অনেকে বলছিলেন, সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছিলেন, আগের সেই নেইমার কি আর আছেন? উত্তর দিতে সময় নিলেন না ব্রাজিলের তারকা। ২০২৬ সালে নিজের প্রথম গোল- তাও একসঙ্গে দুটি। আর সেই জোড়া আঘাতেই লিগে প্রথম জয়ের মুখ দেখল সান্তোস।
ভিলা বেলমিরোর গ্যালারি তখন উত্তেজনায় টগবগ করছে। চতুর্থ রাউন্ডে ভাস্কো দা গামার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় সান্তোস। ৪ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত তালিকার ১৩তম স্থানে দলটি। কিন্তু এই জয় শুধু তিন পয়েন্ট নয়, স্বস্তিও এনে দিয়েছে কোচ হুয়ান পাবলো ভোজভোদাকে, যার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল।
ম্যাচের শুরু থেকেই ছন্দে ছিলেন নেইমার। ২৫ মিনিটে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। গোলের পর গ্যালারির দিকে তাকিয়ে চুপ থাকার ইশারা- সমালোচকদের উদ্দেশেই যেন বার্তা। এরপর কর্নার পতাকার কাছে গিয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের আদলে নেচে উদ্যাপন, যার পেছনেও ছিল প্রতীকী বার্তা। তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে সমতা ফেরায় ভাস্কো দা গামা। ৪৩ মিনিটে কাউন বারোস গোল করলে ১-১ অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি আরও বাড়ে। ৬১ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের জয়সূচক গোলটি করেন নেইমার। বক্সের ভেতর নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ আর স্থির শটে জাল কাঁপান তিনি। ম্যাচে বল দখলে সান্তোস এগিয়ে ছিল প্রায় ৫৮ শতাংশ সময়, লক্ষ্যে শটে ব্যবধান ছিল ৭-৩।
চলতি বছরের শুরুতে হাঁটুর অস্ত্রোপচার করেছিলেন নেইমার। প্রায় দুই মাসের পুনর্বাসনের পর ১৬ ফেব্রুয়ারি মাঠে ফেরেন। প্রথম ম্যাচে গোল না পেলেও সহায়তা করেছিলেন একটি গোল তৈরিতে। কিন্তু পরের ম্যাচে পরাজয়ের পর তাকে ঘিরে সমালোচনা চরমে ওঠে। এমনকি আসন্ন বিশ্ব আসরের প্রস্তুতি ম্যাচে জাতীয় দলে তার জায়গা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।