বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

উত্তর লন্ডন ডার্বিতে আবারও টটেনহ্যামকে ভোগালেন এবেরেচি এজে। তার জোড়া গোলে টটেনহ্যামকে ৪–১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে শিরোপা দৌড়ে ঘুরে দাঁড়াল আর্সেনাল।
মিকেল আর্তেতার দল আগের দুই ম্যাচে জয়হীন থাকার ধাক্কা কাটিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির চেয়ে পাঁচ পয়েন্ট এগিয়ে গেল। এজের দুই গোলের সঙ্গে জোড়া গোল করেন ভিক্টর গিওকারেসও।
মৌসুমের শুরুতে টটেনহ্যামে যাওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এজে। এরপর থেকেই সাবেক আগ্রহীদের বিপক্ষেই নিজের সেরাটা দেখাচ্ছেন তিনি। নভেম্বরে টটেনহ্যামের মাঠে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ২৭ বছর বয়সী এই ইংল্যান্ড মিডফিল্ডার। সাম্প্রতিক বাজে ফর্ম সত্ত্বেও রিম্যাচে তাকে শুরুর একাদশে রাখেন আর্তেতা- আর সেই আস্থার প্রতিদানই দেন এজে।
১৮ ম্যাচ ধরে গোলহীন থাকার পর আবারও জালে বল জড়ালেন তিনি। প্রথমার্ধে টটেনহ্যাম হটস্পার স্টেডিয়ামে আর্সেনালকে এগিয়ে দেন এজে। তবে দুই মিনিটের মধ্যেই র্যান্ডাল কলো মুয়ানি সমতা ফেরান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গিওকারেস গোল করে আর্সেনালের চাপ কমান। ৬১ মিনিটে এজের দ্বিতীয় গোল ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। যোগ করা সময়ে গিওকারেস আরেকটি গোল করলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪–১।
স্পোর্টিং লিসবন থেকে আসার পর প্রথম মৌসুমে কঠিন সময় পার করছিলেন গিওকারেস। এই জোড়া গোল তার জন্যও স্বস্তির। শিরোপা দৌড় যখন হোঁচট খেতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এজে ও গিওকারেসের ঘুরে দাঁড়ানো বড় স্বস্তি এনে দিল আর্সেনালকে। এর আগে ব্রেন্টফোর্ড ও উলভসের বিপক্ষে ড্র করে সুবিধাজনক অবস্থান হারাতে বসেছিল আর্সেনাল। শনিবার নিউক্যাসলের বিপক্ষে সিটির জয় ব্যবধান কমিয়ে এনেছিল মাত্র দুই পয়েন্টে। বাড়তি চাপের মুখে আর্তেতা খেলোয়াড়দের বলেছিলেন, শিরোপার লড়াইয়ের চাপ ও সমালোচনা সামলাতে না পারলে অন্য ক্লাব খুঁজে নিতে।
তবে শিরোপার ভাগ্য এখনো পুরোপুরি আর্সেনালের হাতে নয়। পেপ গার্দিওলার দল যদি বাকি ১১ ম্যাচ জিতে যায়, তাহলে আর্সেনালের ফল যাই হোক, শিরোপা যাবে সিটির ঘরে। উত্তর লন্ডন ডার্বিতে টানা আট ম্যাচ অপরাজিত থাকল আর্সেনাল। অন্যদিকে টটেনহ্যামের অবস্থা ক্রমেই খারাপ। নতুন অন্তর্বর্তী কোচ ইগর তুদরের অধীনে প্রথম ম্যাচেও জয় পায়নি তারা। টানা নয় ম্যাচ জয়হীন থাকার ফলে অবনমন অঞ্চলের মাত্র চার পয়েন্ট ওপরে আছে টটেনহ্যাম।
১৯৭৭-৭৮ মৌসুমের পর প্রথমবার দ্বিতীয় স্তরে নেমে যাওয়ার শঙ্কাও এখন উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও তুদরের দাবি, তার দল “শতভাগ নিশ্চিত” অবনমন এড়াতে পারবে। ম্যাচের ৩২ মিনিটে পাপে সার বল হারালে বুকায়ো সাকার ক্রস থেকে দারুণ ভলিতে গোল করেন এজে। তবে ২ মিনিট পরই ডেকলান রাইসের ভুলে সমতা ফেরায় টটেনহ্যাম।
৪৭ মিনিটে জুরিয়েন টিম্বারের পাস থেকে গিওকারেসের শক্তিশালী শটে আবার এগিয়ে যায় আর্সেনাল। এরপর টটেনহ্যামের রক্ষণভাগের আরও এক ভুলে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এজে। শেষ বাঁশি বাজার আগেই গিওকারেস আরেকটি গোল করলে হতাশ সমর্থকেরা গ্যালারি ছাড়তে শুরু করেন।