বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

নেপাল ক্রিকেট দল। ছবি: সংগৃহীত
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গতকাল মঙ্গলবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম–এ গ্রুপ ‘সি’-র হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে ইতিহাস গড়ল নেপাল। দীর্ঘ ১২ বছরের বিশ্বকাপ জয়ের খরা কাটিয়ে স্কটল্যান্ডকে সাত উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্টে মনোবল জাগানো এক জয় তুলে নেয় দলটি। কুশল ভুর্তেলের ঝড়ো সূচনা আর দীপেন্দ্র সিং আইরির বিধ্বংসী অপরাজিত অর্ধশতকে ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ১৯.২ ওভারেই গন্তব্যে পৌঁছে যায় নেপাল।
২০১৪ সালে আফগানিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শেষবার বিশ্বমঞ্চে জয়ের স্বাদ পেয়েছিল হিমালয়–পাহাড়ঘেরা দেশটি। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটল এক দাপুটে ব্যাটিং প্রদর্শনীতে। মাত্র ২৩ বলে ফিফটি পূর্ণ করা আইরি তিনটি ছক্কা ও চারটি চারের মারে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নেপালের হাতে এনে দেন। তার সঙ্গে গুলসান ঝার অপরাজিত ২৪ রানের কার্যকর ইনিংস চতুর্থ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৭৩ রানের জুটি গড়ে জয় নিশ্চিত করে। এর আগে ভুর্তেলের ৪৩ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস রানতাড়ার ভিত গড়ে দেয়।
শুরুর দিকে কিছুটা সতর্ক ছিল নেপালের ইনিংস। তবে আসিফ শেখকে সঙ্গে নিয়ে ভুর্তেল দ্রুত ম্যাচের গতি বদলে দেন। ফাইন লেগের ওপর দিয়ে ছক্কা আর মার্ক ওয়াটের ওপর একের পর এক বাউন্ডারিতে চাপ সরিয়ে দেন তারা। পরে স্কটল্যান্ডের স্পিন আক্রমণে ভুর্তেল, আসিফ (৩৩) ও অধিনায়ক রোহিত পাউডেল (১৬) ফিরলেও শেষ ঝড় তোলেন আইরি।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে মাইকেল জোন্সের ব্যাটে ভর করে ৭ উইকেটে ১৭০ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় স্কটল্যান্ড। আটটি চার ও তিনটি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংস ছিল দলের মেরুদণ্ড। জর্জ মুন্সিকে সঙ্গে নিয়ে ৮০ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়লেও পরের ব্যাটাররা বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। মুন্সি ২৭ রান করে সুনদীপ জোরার দুর্দান্ত ক্যাচে বিদায় নেন। শেষদিকে সোমপাল কামির (৩/২৫) দারুণ বোলিংয়ে স্কটিশ ইনিংস থেমে যায়।
ফিল্ডিংয়েও স্কটল্যান্ডের কয়েকটি ভুল ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ক্যাচ মিস ও ফিল্ডিং ল্যাপস নেপালের রানতাড়াকে সহজ করে তোলে।