বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল -ফাইল ফটো
গত বছরের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনী বিতর্ক দেশীয় সীমা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিকভাবে নজর কেড়েছিল। সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল যে, তারা অবৈধ প্রক্রিয়ায় ৬ অক্টোবরের নির্বাচন সম্পন্ন করেছিলেন।
অভিযোগ, বিসিবির গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জেলা ও বিভাগের কাউন্সিলর মনোনয়ন নিশ্চিত করা হয়।
এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে করা রিটে আদালত নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে উচ্চ আদালতের রায়ের স্থগিতাদেশের কারণে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) নির্বাচন সম্পন্ন করতে পেরেছিল। এখন ক্রীড়া সংগঠকরা সেই মামলাগুলো পুনরুজ্জীবিত করে বর্তমান বিসিবি কমিটিকে বাতিল করার পরিকল্পনা করছেন।
মোহামেডান ক্লাবের ক্রিকেট চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান বলেন, অবৈধ প্রক্রিয়ায় নির্বাচনের বিষয় আদালতের মাধ্যমে প্রমাণ করা হবে। শিগ্রই ক্রীড়া সংগঠকরা আদালতের দ্বারস্থ হবেন। তারা মেটিকুলাস ডিজাইনে নির্বাচন করেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিসিবি সভাপতি দেশের ক্রিকেটের চেয়ে পাকিস্তানের ক্রিকেটের সুবিধা বড় করে দেখছেন। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলতে পারল না, অথচ বুলবুল পাকিস্তানে গিয়ে ভারতের সঙ্গে ম্যাচ আয়োজনের অনুরোধ করেছেন।
বিসিবির কাউন্সিলর লোকমান হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বিসিবি কমিটি সম্পূর্ণভাবে অবৈধ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত। ৬ অক্টোবরের নির্বাচনে নিয়মকানুন না মেনে ভোট হয়েছিল। যারা পোস্টাল ভোট দিয়েছে তারা আবার ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন যা নিয়মের পরিপন্থী।
এদিকে বিএনপির ক্রীড়া সংগঠক রফিকুল ইসলাম বাবু জানান, আমরা বৈধ পদ্ধতিতে বিচার চাই। কোনো অবৈধ কার্যক্রমের চেষ্টা নেই। আশা করি আদালত থেকে ন্যায্য বিচার পাব।
ক্রীড়া সংগঠকরা এখন আদালতের মাধ্যমে বিসিবি নির্বাচনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং দেশের ক্রিকেটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছেন।
গত বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনী বিতর্ক দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বৈশ্বিক মনোযোগ কেড়েছিল। সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল অবৈধ প্রক্রিয়ায় ৬ অক্টোবরের নির্বাচন করার। বিসিবির গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যবহার করে জেলা ও বিভাগের কাউন্সিলর মনোনয়ন নিশ্চিত করেছিলেন তিনি।
এই প্রক্রিয়াকে এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন আদালত। তবে উচ্চ আদালতের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ নিয়ে নির্বাচন সম্পন্ন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। সেই মামলাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে বিসিবির বর্তমান কমিটিকে বাতিল করা হবে বলে জানান ক্রিকেট সংগঠকরা।
অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর মনোনয়নের নির্দেশনা বিসিবির গঠনতন্ত্রে নেই। এ কারণে জেলা ও বিভাগের অ্যাডহক কমিটি থেকে মনোনীত কাউন্সিলদের বৈধতা নিয়ে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল। আদালতও বুলবুলের চিঠিকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছিলেন। এনএসসি সে রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ নিয়ে নির্বাচন সম্পন্ন করে।
ওই মামলা শিগগিরই পুনরুজ্জীবিত করা হবে বলে জানান মোহামেডান ক্লাবের ক্রিকেট চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান, তারা যে অবৈধ প্রক্রিয়ায় নির্বাচন করেছে আদালতের মাধ্যমেই সেটা প্রমাণ করা হবে। শিগগিরই ক্রীড়া সংগঠকরা আদালতের শরণাপন্ন হবেন। তারা মেটিকুলাস ডিজাইনে নির্বাচন করেছে।
ক্রিকেট খেলাকে মাঠে দেখতে চান মাসুদুজ্জামান। বিসিবি সভাপতি দেশের ক্রিকেটের চেয়ে পাকিস্তানের ক্রিকেটের সুবিধা বড় করে দেখছেন বলে মনে করেন তিনি, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে পারল না অথচ বুলবুল পাকিস্তানে গিয়ে অনুরোধ করে ভারতের সঙ্গে ম্যাচ খেলতে!
বিসিবির কাউন্সিলর লোকমান হোসেন ভূঁইয়ার মতে, এই বোর্ড সম্পূর্ণ অবৈধ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত। ট্রাইব্যুনাল মাধ্যমে চারটি ক্লাবের মালিকানা পরিবর্তনকে নাটক হিসেবে দেখেন তিনি। সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদের ১৫টি ক্লাবের বিরুদ্ধে রিট করা ক্ষমতার প্রদর্শন বলে দাবি তার।
লোকমান হোসেন বলেন, যারা পোস্টাল ভোট দিয়েছে, তারা আবার ভোটকেন্দ্রে ছিলেন। ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত না থাকতে পারলে পোস্টাল ভোট দেওয়ার নিয়ম। ৬ অক্টোবরের নির্বাচনে কোনো নিয়মনীতিই ছিল না। বিএনপির ক্রীড়া সংগঠক রফিকুল ইসলাম বাবুর মতে, আমরা অবৈধ পন্থায় কিছু করতে চাই না। আমরা বৈধ পন্থায় সঠিক বিচার চাই। আমি বিশ্বাস করি, আমরা আদালত থেকে ন্যায়বিচার পাব।