বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বহুল আলোচিত জাহানারার অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন গত সোমবার বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের হাতে তুলে দেয় কমিটি। দুই দিন পর বুধবার বিসিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দুটি অভিযোগ উপলব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে প্রমাণিত হয়নি। কেটার জাহানারা আলমের করা যৌন হয়রানির সুনির্দিষ্ট ৪টি অভিযোগের মধ্যে দুটির প্রাথমিক প্রমাণ স্বাধীন কমিটি পেয়েছে বলে জানিয়েছে বিসিবি।
নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের অনুপযুক্ত আচরণের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে। এই ব্যাপারে বিসিবির আইনি দলকে সম্পৃক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার পথে হাঁটছে ক্রিকেট বোর্ড।
উল্লেখ্য, বিসিবির সঙ্গে মনজুরুল ইসলামের চুক্তির মেয়াদ ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে শেষ হয়। কমিটি পেশাগত মানদণ্ডের সঙ্গে (মনজুরুলের) অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণের বিষয়টি উল্লেখ করেছে এবং পর্যবেক্ষণ করেছে যে, কিছু কর্মকাণ্ড সুপ্রিম কোর্টের প্রযোজ্য নির্দেশিকার আওতায় অসদাচরণ ও হয়রানির সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।
বিসিবির মতে, স্বাধীন অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে বিসিবি তার জিরো টলারেন্স নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রাপ্ত তথ্য ও সুপারিশসমূহ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে তাদের আইনি দলকে সম্পৃক্ত করেছে। বিসিবি তার বিধিমালা ও প্রযোজ্য আইনের আলোকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
একই সঙ্গে, বিসিবি হাইকোর্ট বিভাগের ২০০৯ সালের রায় অনুসারে একটি বিসিবি অভিযোগ কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এ কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন বিসিবি পরিচালক ও নারী উইং কমিটির চেয়ারপারসন রুবাবা দৌলা। এছাড়া, বাংলাদেশ ক্রিকেটে নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা গঠন এবং বাধ্যতামূলক সচেতনতা প্রশিক্ষণ বাস্তবায়নের দায়িত্বও কমিটিকে দেওয়া হয়েছে। বিসিবি যথাসময়ে এ বিষয়ে পরবর্তী আপডেট দেবে।