বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার
বিএনপি আওয়ামী লীগের কাছ থেকে শিখেছে—‘ক্ষমতায় যাওয়ার আগে গণতন্ত্র, আর ক্ষমতায় গেলে স্বৈরতন্ত্র’ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি এখন স্পষ্টতই ফ্যাসিবাদের পথ ধরে হাঁটছে এবং দল দুটির নাম ভিন্ন হলেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনৈতিক চরিত্রে কোনো মৌলিক পার্থক্য নেই।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত ‘রক্তে ভেজা ২৮ অক্টোবর, ফ্যাসিবাদের উত্থান: কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণের চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, অতীতে যে ধরনের চাঁদাবাজি, খুন ও জবরদখল চলত, তা এখনো একই কায়দায় বহাল রয়েছে; মাঠপর্যায়ে কেবল জড়িত ব্যক্তিদের নামগুলো বদলে গেছে।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদের শেষ দিনে (২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর) পল্টনে জামায়াতের পক্ষ থেকে ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির আহ্বান জানানো হলেও বিএনপি তাতে সাড়া দেয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে নেপথ্যে কোনো আঁতাত করে ইসলামি আন্দোলন ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে বিএনপির কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা নিয়ে আজও মানুষের মনে গভীর সংশয় রয়েছে।
তিনি ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার বিভাগীয় তদন্ত, প্রকৃত দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করা সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো পুনরুজ্জীবিত করার জোর দাবি জানান।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আবদুল মান্নান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মহানগর দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন।
সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, ডাকসু ভিপি মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম), আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহীদুল ইসলামসহ ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের সদস্যরা।