বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বিএনপির সহসম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি
সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের বয়স ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কম এবং তিনি বাবার পরিচয়ে ‘পোষ্য কোটায়’ রাজনীতিতে এসেছেন বলে মন্তব্য করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির সহসম্পাদক নিলোফার চৌধুরী মনি। একই সঙ্গে রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার ঘটনাকে তাঁর অভিজ্ঞতাহীন ও ‘খামখেয়ালি’ সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে নিলোফার চৌধুরী মনি বলেন, নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র রাখা আইনত বৈধ হলেও একজন সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীর জন্য প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে এমন অভিযান পরিচালনা করা কোনোভাবেই সমীচীন হয়নি। সাধারণ মানুষকে ভীত-সন্ত্রস্ত করা কোনো মন্ত্রীর কাজ নয় উল্লেখ করে তিনি জানান, সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার পরিচয়ে পোষ্য কোটায় রাজনীতিতে আসার কারণেই ইশরাকের মধ্যে এই অভিজ্ঞতার ঘাটতি সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
ইশরাক কোনো কুচক্রী মহল বা অসৎ ‘বুদ্ধিদাতাদের’ ফাঁদে পড়ে এ ধরনের ফিল্মি স্টাইলের পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন মনি। তিনি বলেন, ছিঁচকে মাদকসেবীদের পেছনে অস্ত্র উঁচিয়ে শক্তি ও সময় অপচয় না করে মূল মাদক মাফিয়া এবং সাপ্লাই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক এমপি ও মন্ত্রীদের পদত্যাগকে সুস্থ ধারার রাজনৈতিক সংস্কৃতি হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, পদত্যাগের বিষয়ে বিএনপির নেওয়া এই অবস্থান রাজনীতিতে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়ে মনি আরও দাবি করেন, সাদেক হোসেন খোকার সন্তান হিসেবে ঢাকার রাজনীতিতে ইশরাক একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম এবং তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল সিটি করপোরেশন। এ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহানুভূতিকে ‘মাছের মায়ের পুত্রশোক’ আখ্যা দিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ফায়দা লুটতে এবং বিএনপিকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিতেই সুকৌশলে ইশরাককে উসকানি দিয়ে এমন পরিস্থিতির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। এছাড়া মাদককে দেশের এক নম্বর জাতীয় সমস্যা আখ্যা দিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন যে, প্রশাসনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা ও আমলার নেপথ্য পৃষ্ঠপোষকতার কারণেই মাদকের নেটওয়ার্কের স্থায়ী সমাধান সম্ভব হচ্ছে না।