বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
সরকারকে হতাশ হয়ে উত্তেজিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের দাবি মেনে নেওয়া উচিত। বর্তমানে ঘোষিত আট দফা প্রয়োজনে যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে। আর সেই পরিস্থিতি তৈরি হলে এর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হতে পারে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী ‘লং মার্চ’ শুরুর আগে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী আমাদের প্রথম লং মার্চ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর পর থেকেই কারও কারও মধ্যে উত্তেজনার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। গত দুই দিন ধরে রাজধানীতেও এর কিছু নমুনা আমরা লক্ষ্য করছি।
তিনি সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না। জনগণের দাবিগুলো মেনে নিন। তিনি আরও বলেন, আজকের আট দফা ভবিষ্যতে নয় দফা কিংবা দশ দফায় রূপ নিতে পারে। আবার দেশের প্রয়োজন ও পরিস্থিতির দাবি অনুযায়ী যেকোনো সময় তা এক দফায় পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এক দফার আন্দোলন তৈরি হলে পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তাই সেই অবস্থায় যাওয়ার আগেই সাম্প্রতিক অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।
আন্দোলন দমনে ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না বলেও মন্তব্য করেন জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, দাবি মেনে নিতে ব্যর্থ হলে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা চাপ প্রয়োগ করে এই আন্দোলন থামানো যাবে না। আমরা কোনো কিছুতেই পরোয়া করব না। কারণ এটি কোনো একটি দলের নিজস্ব দাবি নয়; ১৮ কোটি মানুষের দাবিকে সামনে রেখেই আমরা রাজপথে নেমেছি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ১৮ কোটি মানুষ ১১ দলের সঙ্গে রয়েছে। জনগণের দাবি আদায় করেই তারা ঘরে ফিরবেন। যে আন্দোলনের সূচনা হয়েছে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সেই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
সমাবেশ শেষে সকাল ৮টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রংপুর অভিমুখী লং মার্চের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রথম পথসভা হওয়ার কথা গাজীপুর বাইপাস (বগুড়া) এলাকায় এবং দ্বিতীয় পথসভা টাঙ্গাইলের নগর জলফই মোড়ে। এরপর সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড়ে দুপুরের বিরতি ও নামাজ আদায়ের কর্মসূচি রয়েছে।
পরবর্তী সময়ে বগুড়া ও পলাশবাড়ীতে বিরতি ও পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে রংপুরের ঐতিহাসিক জেলা স্কুল মাঠে সমাবেশের মধ্য দিয়ে লং মার্চের কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
লং মার্চকে ঘিরে সার্বিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অ্যাম্বুলেন্স, মেডিকেল টিম, স্বেচ্ছাসেবক এবং মিডিয়া টিমসহ বিভিন্ন বিভাগ দায়িত্ব পালন করছে।
সমাবেশের শেষ পর্যায়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণ কামনা করে দোয়া করেন ডা. শফিকুর রহমান। পরে তিনি লং মার্চের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।