বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান
পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বাবা মাছের ব্যবসা করতেন এবং তাঁর পারিবারিক নাম ছিল ‘জিন্নাহ পুঞ্জা’ বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরাম আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ভাঙচুরের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এই সংসদ সদস্য বলেন, "মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আদি নিবাস ছিল ভারতের গুজরাটে। তিনি মূলত গুজরাটের একটি মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মাছ বিক্রি করতেন। সেখানে মাছ ব্যবসায়ীদের ‘পুঞ্জা’ নামে ডাকা হতো। তাঁর পারিবারিক মূল নাম ছিল জিন্নাহ পুঞ্জা এবং তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী ছিলেন।"
জিন্নাহর রাজনৈতিক রূপান্তরের ইতিহাস তুলে ধরে ফজলুর রহমান বলেন, প্রারম্ভিক জীবনে তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ১৯১৩ সালে তিনি অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগে যোগ দেন। ১৯১৬ সালের ঐতিহাসিক লখনৌ চুক্তির মাধ্যমে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরিতে তাঁর অনন্য ভূমিকা ছিল। এরপর ১৯২৯ সালে ঘোষিত তাঁর ১৪ দফার মধ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা ও প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় বাঙালি নেতৃত্বের অংশীদারিত্ব ও পরবর্তী অধিকার আদায়ের লড়াই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "পাকিস্তান সৃষ্টির পেছনে আমাদের পূর্বসূরিদের সক্রিয় অবদান ছিল, যা আমরা অস্বীকার করি না। কিন্তু পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর যখন দেখা গেল এই রাষ্ট্রে আমাদের ন্যায্য অধিকার মিলছে না, তখন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই আমরা অধিকার আদায়ের লড়াই শুরু করি।"
অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান।
অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আলফারুন নাহার রুমার সভাপতিত্বে এবং রবীন্দ্র সৃজন কলা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মো. নিজাম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।