বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশিত সাড়া নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান। একই সঙ্গে এই কর্মসূচির কারণে রাষ্ট্রকে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, লংমার্চকে ঘিরে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশা থাকলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। বড় ধরনের জনসমাগমের আশা করা হলেও বাস্তবে সেই চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান আরও বলেন, প্রচার-প্রচারণা ও বিভিন্ন পর্যায়ের উদ্যোগের পরও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট সাধারণ মানুষকে কর্মসূচিতে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করতে পারেনি।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসসহ দেশের চলমান বিভিন্ন সংকট প্রসঙ্গেও তিনি কথা বলেন। তার দাবি, দীর্ঘ ১৮ থেকে ২০ বছরের সমস্যা, সংকট ও অব্যবস্থাপনার দায় বর্তমান সরকারের মাত্র কয়েক মাসের সময়ের ওপর চাপানোর চেষ্টা অযৌক্তিক।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে বিরোধী দলের ঘোষিত ছয় দফা কর্মসূচি নিয়ে সাধারণ মানুষের তেমন আগ্রহ নেই বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
লংমার্চের কারণে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহারের কারণে জ্বালানি সংকটের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্ব তুলে ধরে রাশেদ খান বলেন, প্রতিদিন এ পথে বিপুলসংখ্যক যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল করে। লংমার্চের কারণে এসব যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে অর্থনীতি ও জনজীবনে।
সবশেষে তিনি অভিযোগ করেন, দলীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করে জামায়াত জনগণের ওপর লংমার্চের মতো কর্মসূচি চাপিয়ে দিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কর্মসূচিটি শুধু জনভোগান্তিই বাড়াচ্ছে না, রাষ্ট্রের জন্যও তৈরি করছে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা।