বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান
বাংলাদেশে কুরআনের বিধান ও ঐশী আইন প্রতিষ্ঠিত হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত এক ‘দাওয়াতি সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আল্লাহর আইন বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, এ দেশ মুক্ত হবে এবং এ ভূখণ্ডে কুরআনের আইন কায়েম হবে, তবে মূল প্রশ্ন হলো সেই মহান অভিযাত্রায় সবাই সঙ্গী হতে পারল কি না। তিনি এই কল্যাণময় প্রক্রিয়ার অংশীদার হওয়ার তৌফিক কামনা করেন। দেশে আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বিভাজন সৃষ্টি করে সমাজকে অশান্তির দিকে ঠেলে দেওয়া হবে না। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, বৈষম্যহীন ও সংঘাতমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ করাই ইসলামের মূল শিক্ষা এবং জামায়াত কথার চেয়ে কাজের মাধ্যমেই তা বাস্তবে প্রমাণ করে দেখাবে।
কওমি মাদ্রাসা অঙ্গনের বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরে জামায়াত আমির উল্লেখ করেন যে, তাঁরা কওমি জনগোষ্ঠীকে পৃথক কোনো অংশ হিসেবে দেখেন না এবং তাঁদের প্রতি আন্তরিক শুভকামনা বজায় রাখেন। জাতীয় সংসদে তাঁদের প্রতিনিধিত্বের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কওমি সমাজের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে কথা বলাকে তাঁরা নিজেদের পবিত্র দায়িত্ব মনে করেন। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং অন্তরের গভীর দায়বদ্ধতা ও বিবেকের তাড়না থেকেই তাঁরা এই অবস্থান নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও সংসদে তাঁদের দাবি তুলে ধরা অব্যাহত রাখবেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল মান্নান, কর্মপরিষদ সদস্য জয়নুল আবেদীন এবং সাবেক বিচারপতি সাঈদ শাহেদুর রহমানসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।