বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

সারজিস আলম
চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের তীব্র জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী পদক্ষেপ না নিয়ে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ‘নাটকীয় উপস্থিতি’ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের স্টেশন রোডের হোটেল সৈকতে এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর, চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সারজিস আলম বলেন:
"বর্ষা শেষে আমরা ধীরে ধীরে শরৎ ও শীতের দিকে এগোচ্ছি। এই সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, এমপি কিংবা মেয়রদের স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে শুরু করবে। তাঁরা ভুলে যাবেন, এই বর্ষায় কীভাবে পুরো চট্টগ্রাম নগরী পানির নিচে ডুবে গিয়েছিল। আবার যখন বর্ষা আসবে, তখন তাঁরা জামাকাপড় পরে শুটিং করার জন্য হাঁটু কিংবা কোমরসমান পানিতে নামবেন। এই ধরনের লোকদেখানো নাটক আমরা ২০২৭ সালে আর দেখতে চাই না।"
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন:
"বর্তমানে গ্রেড-১ থেকে গ্রেড-২০ পর্যন্ত যে স্কেলে বেতন দেওয়া হচ্ছে, তা দিয়ে কোনো সরকারি চাকরিজীবী ১৫ তারিখের পর পরিবার চালাতে পারেন না; বাধ্য হয়ে ধারদেনা করতে হয়। পে-স্কেল বাস্তবায়ন করছি-করছি বলে বর্তমান সরকার গত ছয় মাস ধরে অযথা কালক্ষেপণ করছে।"
মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি প্রসঙ্গে সারজিস আলম অভিযোগ করেন, দেশটিতে নতুন করে পাঁচ লাখ কর্মী পাঠানোর সুযোগ তৈরি হলেও পূর্ববর্তী সিন্ডিকেটের একাংশ ও বর্তমান প্রশাসনের কিছু লোক মিলে ২৫ জনের আরেকটি নতুন সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার চট্টগ্রামের স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাউজানে প্রকাশ্য দিবালোকে গোলাগুলি এবং দখলদারিত্বের জেরে বর্তমান সরকারের সময়ে অন্তত ২০ জনের বেশি মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, যেখানে ব্যাপক প্রচার ও রাজনৈতিক কভারেজ থাকে সেখানে প্রশাসনের শীর্ষ ব্যক্তিরা ‘ফিল্মি কায়দায়’ হাজির হলেও রাউজানের মতো রক্তক্ষয়ী সহিংসতার স্থানে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।