বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ঢাকায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন আমীর শফিকুর রহমান। ছবি: জামায়াতের সৌজন্যে
আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারস্থ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান। বৈঠকে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে নির্বাহী পরিষদে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে জামায়াত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর ধারাবাহিকতায় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করতে রবিবার ১১-দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। উক্ত বৈঠকেই যৌথ প্রার্থী নির্বাচনের বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ পাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বৈঠকে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, সংবিধান সংস্কারের বিভিন্ন দিক এবং ১১-দলীয় ঐক্যের ঘোষিত রাজপথের কর্মসূচির বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর পদটি শূন্য হয়। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান থাকায় নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি তফসিল ঘোষণা করে, যেখানে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২০ আগস্ট।
অন্যদিকে, গত ১ আগস্ট বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলটির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির প্রার্থী চূড়ান্ত করার একক দায়িত্ব অর্পণ করা হয় দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর।
বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই পদের জন্য দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জ্যেষ্ঠ নেতা নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান এবং ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নামও বিবেচনায় রাখছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা।