বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে কে দায়িত্ব নেবেন তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন নাম আলোচনায় থাকলেও বিএনপি জানিয়েছে, দলীয় নীতিনির্ধারণী ফোরামের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই রাষ্ট্রপতি পদে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনিই দায়িত্ব পালন করবেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে এমন একজনকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে যিনি অভিজ্ঞ, গ্রহণযোগ্য, নৈতিক নেতৃত্বের অধিকারী এবং দলের প্রতি দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন।
বিএনপির অভ্যন্তরে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও বেগম সেলিমা রহমান। এছাড়া স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর নামও বিভিন্ন মহলে উচ্চারিত হচ্ছে।

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে দল মনোনীত প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তার মতে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে এমন একজনকে বেছে নেওয়া উচিত, যিনি দলের পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত নেতা এবং রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে দক্ষ।
এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, রাষ্ট্রপতি পদে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে সে বিষয়ে দল আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবে। মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় নেতাদের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকলেও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় গ্রহণযোগ্য কোনো অরাজনৈতিক ব্যক্তির নামও শেষ মুহূর্তে বিবেচনায় আসতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন স্থায়ী কমিটির বৈঠকে।