বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর সাভার সরকারি কলেজ মাঠে এনসিপির সমাবেশ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সমাবেশে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এ সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বক্তব্য শুরু করেন। এর কিছুক্ষণ পরই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় শাহীন খান্দকার (৩০), জসিম (২৬) ও শাহাদাত হোসেন (৪০) আহত হন। তাদের সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার পর নাহিদ ইসলাম হামলাকে ‘পূর্বপরিকল্পিত’ দাবি করে বলেন, এ ধরনের হামলায় এনসিপির কর্মসূচি থেমে থাকবে না। পরে তিনি, সারজিস আলম ও আখতার হোসেন সাভার মডেল থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন এবং আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান।
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ জানান, এনসিপির পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন। তিনি জানান, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে ঢাকা জেলার (উত্তর) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলমকে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।