বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ে ফুরফুরে মেজাজে ক্ষমতাসীন বিএনপি। সংসদ নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও বাজিমাত করতে চায় বিএনপি। আশানুরূপ ফলাফল আনতে প্রার্থী বাছাইয়ে দলের দু:সময়ের ত্যাগী ও নিবেদিত কর্মীর পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তি জনপ্রিয়তাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার কথা ভাবছে দলের হাইকমান্ড। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জানান, এ বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন শুরু করা হবে। আর আগামী এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতে না পারলে জাতীয় পর্যায়ে এর প্রভাব পড়তে পারে। এ কারণে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন দল ও সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হলে কার্যকর কৌশল নেওয়ার বিকল্প নেই। জাতীয় নির্বাচনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, রাজনৈতিক পরিবর্তনের আকাঙ্খা এবং সরকারবিরোধী জনমত বড় ভূমিকা রাখলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রাধান্য পায় ব্যক্তির জনপ্রিয়তা, আঞ্চলিক সমীকরণ, অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং স্থানীয় নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা। এবার স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না। ফলে ভোটে এসব বিষয় প্রাধান্য পাবে। এছাড়াও বিরোধী দলের ১১ দলীয় জোট বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এই নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দাঁড়াবে। বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলও নীতিনির্ধারকদের ভাবাচ্ছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অর্ধশতাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এ কারণে বিএনপি বেশ কিছু আসনে পরাজিত হয়েছে। সরকার গঠনের পরও বিভিন্ন স্থানে নানা কারণে কোন্দল রয়েছে; যা স্থানীয় নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ জন্য দলের স্বার্থে কোন্দল ভুলে নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। অবশ্য বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে দলের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। তাঁরা বলছেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর গত চার মাসে জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী নতুন নতুন ধারা সৃষ্টি করছেন। তিনি যে বাংলাদেশ গড়তে যাচ্ছেন, দলের নেতা-কর্মীরাও সেই পথেই এগোচ্ছেন। জনগণ বিএনপির পাশে আছে এবং স্থানীয় নির্বাচনেও জনগণ বিএনপিকে যথাযথ মূল্যায়ন করবে। সরকার ও বিএনপির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিক সেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে প্রশাসক ও সচিবদের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হলেও এটি তাঁদের মূল দায়িত্ব নয়। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কাজ করতে গিয়ে সেবার মানে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর। এজন্য চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করার বিষয়টি চিন্তা করা হচ্ছে। তবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শুরুর দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। এই নির্বাচন দিয়েই স্থানীয় সরকারের ভোট মাঠে গড়াবে। ইউপি নির্বাচনের পর পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকারের অন্যান্য স্তরের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রতীক না থাকায় দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং একাধিক প্রার্থী ঠেকানোর চ্যালেঞ্জ এখন বিএনপির সামনে। তবে প্রতীকবিহীন নির্বাচনে সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করে বিএনপি। প্রার্থীকে সমর্থনের ক্ষেত্রে ব্যক্তি জনপ্রিয়তার ওপর জোর দেওয়ার কথা বললেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যাপারটা যখন আনা হলো, তখন সমাজের মধ্যে একটা বিবাদ সৃষ্টি হলো। ফলে সেটাকে তুলে দেয়া যথার্থ হয়েছে। এটার সুদূরপ্রসারী ফল হবে ইতিবাচক। বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, নির্বাচনে অবশ্যই ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা বেশি কাজ করবে। তাই আমাদের সমর্থিত প্রার্থী ঘোষণার সময় দলের দু:সময়ে তার অবদান ও মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তা বিবেচনায় নেওয়া হবে। বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িত কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হবে না। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খননের মতো নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ হওয়ায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জনগণ বিএনপি নেতাদের বেছে নেবে বলে মনে করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের কাছে আমাদের যেসব প্রতিশ্রুতি ছিলো, সেগুলো আমরা বাস্তবায়ন শুরু করেছি। এসব প্রতিশ্রুতি পূরণের মাধ্যমে জনগণ আমাদের প্রতি আস্থা রাখবে বলে আশা করি। আর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এলাকায় যারা জনগণের কাছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য, তারাই অংশ নেয়। এবারও তাই হবে। বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এমপি বলেন, নির্বাচনে প্রতিপক্ষ থাকবে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবেই। প্রতিপক্ষক সমীহ করেই আমরা কাজ করতে চাই। কারণ, তৃণমূলের ভোট। দলীয় প্রতীক নেই। তবে আমরা বিশ্বাস করি, জনগণ আমাদের সঙ্গে থাকবে। তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর পূর্ণ শক্তি নিয়ে নেতা-কর্মীরা ভোটের মাঠে নামবেন। সরকারের অর্জনগুলো জনমনে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করেছে দাবি করে নির্বাচনে দলীয় নেতাদের জয়ের ব্যাপারেও আশাবাদী তিনি। অপরদিকে এবার দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হওয়ায় একই পদে একাধিক প্রার্থী দাঁড়ানোর ঝুঁকি বাড়ছে। দলীয় সমর্থন না পাওয়া প্রার্থীরাও স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে পারেন-এমন আশঙ্কা রয়েছে। এই বাস্তবতায় দলীয় শৃঙ্খলা ও ঐক্য ধরে রাখতে সক্রিয় হয়েছে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব। গত ৯ মে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বিএনপি ও এর তিন সহযোগী সংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বড় পরিসরে এটি ছিল বিএনপির প্রথম সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা। ওই সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, সব বিভাগীয় সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা ও মহানগর কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সভায় প্রধানমন্ত্রীসহ ১১ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। রুদ্ধদ্বার এই মতবিনিময় সভায় মাঠপর্যায়ের নেতারা মন্ত্রীদের নানা বিষয়ে প্রশ্ন করেন, মন্ত্রীরাও এর জবাব দেন। বৈঠকে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক করার বার্তা দেন। উপস্থিত একাধিক সূত্র জানায়, তিনি নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকা, ভালো আচরণের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করা এবং মাঠে কাজ করে জনগণের আস্থা অর্জনের পরামর্শ দেন। বিএনপি সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, আগের সরকারের মতো প্রশাসনিক প্রভাব বা দলীয় সুবিধা দিয়ে কাউকে জিতিয়ে আনার সুযোগ তাঁর নেই। জনগণের মন জয় করেই নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে। সভায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে দলীয় নেতাদের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হওয়ার প্রসঙ্গও ওঠে। সেই সূত্রে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সম্ভাব্য বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। জানা গেছে, বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিরুৎসাহিত করতে বিভাগীয় সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদকদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে চলার আহ্বান জানাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার আশঙ্কা বিএনপির নীতিনির্ধারকদের অন্যতম উদ্বেগ। দলীয় প্রতীক না থাকায় অনেক জায়গায় একই দলের একাধিক প্রার্থী মাঠে নামতে পারেন। এতে স্থানীয় দ্বন্দ্ব, প্রভাব বিস্তার ও সংঘর্ষের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে মনে করছেন দলটির নেতারা। ৯ মের বৈঠকেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক সূত্র জানায়, মাঠপর্যায়ের নেতারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি তোলেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সবাইকে সতর্ক করে বলেন, যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। এক্ষেত্রে কারও পরিচয় বিবেচনা করা হবে না। বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুধু প্রশাসনিক শূন্যতা পূরণের বিষয় নয়; এটি দলীয় সংগঠনকে আবার মাঠে সক্রিয় করারও সুযোগ। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে একক প্রার্থী নিশ্চিত করা, ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী ঠেকানো এবং নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ-এই তিন চ্যালেঞ্জ সামলাতে হবে। এদিকে সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে স্থানীয় নির্বাচনের ধরনগত বড় পার্থক্য থাকায় সাফল্যের বিষয়টি খুব সহজ নয়। এজন্য প্রার্থী বাচাইসহ আরো প্রাসঙ্গিক বিষয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে হবে। কারণ, এখানে স্থানীয় অনেক বিষয়ও প্রভাব রাখে। তাই বড় সাফল্যের জন্য আগেভাগেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে কেন্দ্র থেকে তৃণমূলে এরইমধ্যে নির্দেশ গেছে। নির্দেশমতো দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা সরব হয়েছেন। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা অনানুষ্ঠানিক গণসংযোগ শুরু করেছেন। নিজ এলাকায় বিভিন্ন উপলক্ষ ঘিরে পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার টানাচ্ছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেও ব্যবহার করছেন তাঁরা। নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার ২ নং চানগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা যুবদলের সভাপতি গোলাম রাসেল রুবেল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে শত প্রতিকূলতা ও নিপীড়নের মধ্যেও বিগত দিনে সাহসের সঙ্গে রাজপথে থেকে লড়াই করেছি। আগামী দিনে দলের ও জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। আশা করি-২ নং চানগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ দলীয় সমর্থন পাবো। তিনি আরও বলেন, সুযোগ পেলে ভাটি বাংলার সিংহপুরুষ, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ভাইয়ের হাতকে শক্তিশালী করা ও এলাকার উন্নয়নে আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারব। যুবদলের এই নেতা বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হলে এলাকার মাদক নির্মূলসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে নিয়োজিত থাকবো। প্রসঙ্গত, বর্তমানে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন, ৪৯০টির মতো উপজেলা পরিষদ, ৩৩০টির মতো পৌরসভা ও ৬১টি জেলা পরিষদের নির্বাচন মেয়াদোত্তীর্ণ। এ ছাড়া কয়েক হাজার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনও দরজায় কড়া নাড়ছে। সেপ্টেম্বর থেকেই এই নির্বাচনী মহাযজ্ঞ শুরু হচ্ছে।