বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

তোফায়েল আহমেদের জানাজা শেষে ধানমন্ডিতে ২৬ জনকে আটক- ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা শেষে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যায় ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মাগরিবের পর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় আওয়ামী লীগের সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী ও সাবের হোসেন চৌধুরীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
জানাজাকে কেন্দ্র করে মসজিদ ও আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক দলীয় নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
জানাজা শেষে তোফায়েল আহমেদের মরদেহবাহী গাড়িকে ঘিরে কিছু নেতাকর্মী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্লোগানকে কেন্দ্র করে এলাকায় কিছু সময় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে কয়েকজনকে আটক করেন।
মরদেহবাহী গাড়ি এলাকা ত্যাগ করার পর ধানমন্ডি থানা পুলিশ ধানমন্ডি লেকসংলগ্ন বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালায়। এ সময় সেখানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়। প্রথম দফার আটকের সঙ্গে পরবর্তী অভিযানের আটকদের যুক্ত করে মোট আটক ব্যক্তির সংখ্যা ২৬ জনে পৌঁছায়।
ঘটনার পর আটকদের বিষয়ে ধানমন্ডি থানার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আটকদের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়েও এখন পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
এর আগে সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি আওয়ামী লীগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং দেশের বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন।
তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর জানাজায় অংশ নিতে বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা, কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত হন। তবে জানাজা-পরবর্তী ঘটনাকে কেন্দ্র করে আটকের বিষয়টি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।