বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী -ছবি: সংগৃহীত
দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলো স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ ও সরকারের সমালোচনা করার সুযোগ পাচ্ছে। তবে এর পরও অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের রাজনীতি এখনো বন্ধ হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রবিবার (৩১ মে) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জিয়াউর রহমানের অবদান’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
রিজভী বলেন, গণতন্ত্রের আবহে সবাই কথা বলবে, সরকারের সমালোচনাও করবে। তবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা কিংবা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রনায়ক। তার সততা, দেশপ্রেম, নেতৃত্বগুণ ও রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষও কখনো প্রশ্ন তোলেনি। তিনি এমন এক নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, যা আজও দেশের রাজনীতিতে অনুসরণীয়।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান দেশের কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছিলেন। তার খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে বিরোধীরা নানা কটাক্ষ করলেও বাস্তবে সেই খাল দেশের কৃষি উৎপাদন বাড়িয়েছে, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথ সুগম করেছে।
রিজভী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তার পিতার উন্নয়ন দর্শন অনুসরণ করে খাল, নদী ও জলাশয় পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তিনি এসব বিষয়ে পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন এবং এখন তা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন।
সাংস্কৃতিক অঙ্গনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, কোনো পরাশক্তি যখন একটি দেশের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে চায়, তখন প্রথমেই সে দেশের সাংস্কৃতিক ভিত্তিকে দুর্বল করার চেষ্টা করে। তাই জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ সাংস্কৃতিক কর্মীদের দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষায় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
কয়েকটি দলের নেতাদের সাম্প্রতিক মন্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপির অবস্থান সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেয়া হয়েছে। অথচ সরকারপ্রধান নিজেই বলেছেন, জুলাই সনদের বিষয়গুলো বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
জাসাসের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক শক্তিকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে। কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, সংগীতশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশীয় সংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনাকে সমুন্নত রাখতে কাজ করতে হবে।
সভায় জাসাসের কেন্দ্রীয় নেতারা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।