বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফ্যাসিবাদ থেকে আংশিক নয় বরং পূর্ণ মুক্তি চাই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৪ মার্চ) সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংবাদমাধ্যম হলো রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং এটি বাকি তিনটি স্তম্ভকে সোজা রাখার ‘ভ্যানগার্ড’ হিসেবে কাজ করে। তিনি বলেন, যদি এই অঙ্গটি সঠিকভাবে কাজ করে, তবে রাষ্ট্রের বাকি তিনটি সাংবিধানিক অঙ্গ সোজা পথে চলতে বাধ্য হবে।
আওয়ামী লীগের শাসন আমলের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছরে আমরা ফ্যাসিবাদের কবলে পড়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে জাতির যে প্রত্যাশা ছিল, তা হারিয়ে ফেলেছিলাম। সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার কণ্ঠগুলো স্তব্ধ করে দেয়ার চেষ্টা হয়েছিল। সেই সফলতার রেশ যেন এখনও মাঝে মাঝে অনুভূত হয়।
প্রয়াত সাংবাদিক কাজী রুহুল আমিন গাজীর অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, মরহুম রুহুল আমিন আজীবন সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানুষের অধিকারের পক্ষে লড়াই করেছেন। তাকেও নিগৃহীত হয়ে কারাগারে যেতে হয়েছিল।
বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকদের ওপর চালানো হামলা ও নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে আদালত প্রাঙ্গণেও সম্পাদকদের ওপর রক্তাক্ত হামলা চালানো হয়েছে। সাংবাদিক শহীদুল আলম এবং কবি ফরহাদ মজহারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি সংবাদমাধ্যমের ওপর দমন-পীড়নের চিত্র তুলে ধরেন।
সাংবাদিকদের ‘জাতির বিবেক’ হিসেবে সম্বোধন করে জামায়াত আমির বলেন, আপনারা বিবেক অনুযায়ী চলবেন। জন্ম একবার, মৃত্যুও একবার; তাই বীরের মতো লড়তে হবে। মাঝখানে কোনো আপস নেই।
তিনি বলেন, বিরোধী দল হিসেবে আমরা আপনাদের কণ্ঠের পাহারাদারি করার নিশ্চয়তা দিচ্ছি। তবে এই নিশ্চয়তা সরকারি দলকেও দিতে হবে।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি দেখতে চায় এবং জাতীয় স্বার্থে কোনো আপস করবে না। সরকারি দল যদি সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তবে আমরা তাদের সোজা পথে আনার চেষ্টা করব। প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
পরিশেষে তিনি এমন একটি বাংলাদেশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, যেখানে আর কখনও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে না এবং দেশ কোনো আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করবে না।