বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, ভারত সরকারের সঙ্গে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির ভিত্তিতেই শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এ প্রক্রিয়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইনি পথেই সম্পন্ন হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, যেহেতু শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, তাই ভারত সরকারের সঙ্গে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির ভিত্তিতে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এ নির্বাচন একটি মাইলফলক। সারা বিশ্ব একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ছিল। দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া প্রায় শতভাগ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। ভোটাররা ভোট দেওয়ার পাশাপাশি ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে গণতন্ত্র রক্ষা করেছে।
এসময় তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্বাধীনতার পর এই সংসদই সবচেয়ে বেশি আইন প্রণয়নকারী এবং জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলক হবে। নতুন সরকারের তিনটি মূল অগ্রাধিকার হিসেবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও দুর্নীতি নির্মূলের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে বিএনপির বিজয় প্রত্যাশিত ছিল এবং তারেক রহমানের উপস্থিতি ঘিরে মানুষের অংশগ্রহণ লক্ষণীয় ছিল। নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে শক্তিশালী গণতন্ত্রের ভিত্তি রচিত হয়েছে।
তিনি বলেন, জুলাই সনদ রাজনৈতিক সমঝোতার প্রতীক এবং তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা অনুযায়ী মেধানির্ভর ও প্রযুক্তিনির্ভর দেশ গঠনের লক্ষ্যে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বিএনপির এ নেতা বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন- এই তিন বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। গেজেটের মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণার পর সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।