বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২-(সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত বিজয়ী প্রার্থী রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপি থেকে বেরিয়ে এসে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা আমার জন্য সহজ ছিলো না। আমার চেয়েও বেশি কঠিন সময় পার করেছেন আমার নেতাকর্মীরা। দল যদি আমাকে ফেরাতে চায়, আগে বহিষ্কার হওয়া নেতকর্মীদের ফেরাতে হবে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরের নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, গত ১৭ বছর ধরে নেতাকর্মীরা ত্যাগ ও পরিশ্রম করেছেন। অনেকে ঘরে থাকতে পারেননি, বহিষ্কারের মুখে পড়েছেন। আমি না জিতলে হয়তো আবার ঢাকায় ফিরে পেশায় যোগ দিতাম। কিন্তু আমার কর্মীরা কোথায় যেত? তাদের এই ভালোবাসার ঋণ কীভাবে শোধ করবো?
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, দলীয় প্রার্থী না হওয়ায় নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে হলে কাজের বিকল্প নেই। আবার যদি ভোটে দাঁড়াতে হয়, কাজই হবে একমাত্র ভরসা।
সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানা ভোটগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগও তোলেন। তিনি দাবি করেন, দুপুরের পর কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট কারচুপির চেষ্টা হয়েছে এবং ফলাফল বিলম্বিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানা পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জোটের প্রার্থী জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীকে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।
রুমিন ফারহানা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। একাদশ জাতীয় সংসদে তিনি বিএনপি থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তবে রুমিন ফারাহানার প্রত্যাশিত আসটি জোটের শরিক জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। এ অবস্থায় দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। পরে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। কেন্দ্রীয় নির্দেশ অমান্য করে রুমিন ফারহানার পক্ষে সরব থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন সংগঠনিক ইউনিটে বিএনপি-যুবদলসহ সংগঠনটির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বহিষ্কার করে বিএনপি।