বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির বিজয় অবশ্যম্ভাবী, তাই একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, এর আগে ওই দলটির নেতাকর্মীরা বাসায় বাসায় গিয়ে ভোটারের এনআইডি ও মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর নিয়েছে। বিকাশ, রকেট বা নগদের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ পাঠানো বা জান্নাতের টিকিটের প্রলোভনকে ধর্মপ্রাণ দেশবাসী প্রত্যাখ্যান করছেন। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর বোরকা ও নিকাব বানানোর বিষয়ে আমরা জানতে পেরেছি।
তিনি বলেন, ইসলামী মূল্যবোধের ধারক দল হিসেবে বিএনপি সবসময় বিশ্বাস করে, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে বোরকা ও নিকাব ধর্মীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা অবশ্যই নারীর পর্দার ব্যাপারে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধাশীল, কিন্তু ইসলামী সেই পোশাককে অপব্যবহার করে কেউ যদি মিথ্যা পরিচয়ে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে সেটি দুঃখজনক। সন্দেহজনক ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করতে, এনআইডি কার্ড, হজ, ওমরাহ, পাসপোর্ট বা ভিসার ছবি তোলার মতো করেই, মুখমণ্ডলের যে অংশটুকু অনাবৃত রেখে ছবি তুলতে হয়, ভোটার তালিকা অনুযায়ী নারী প্রিসাইডিং বা সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও নারী চ্যালেঞ্জকারী বা এজেন্টের উপস্থিতিতে ভোট দেওয়ার আগে ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।
মাহদী আমিন বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচন পরিচালনায় যুক্ত একটি অংশের সঙ্গে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক রয়েছে বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা মনে করি, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও দূরত্ব সৃষ্টির অপচেষ্টা। রাষ্ট্রের প্রতিটি সংস্থা, নির্বাচন কমিশন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা কর্মচারীর নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ওপর জনগণের মত আমরা আস্থা রাখতে চাই। এই বিভ্রান্তি ছড়ানো নিন্দাজনক।
মাহদী আমিন বলেন, যে রাজনৈতিক দলটি মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল, আজ সেই দলটির প্রধানই বলছেন, তিনিও নাকি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। যে দলটি প্রতিটি পদে-পদে নারী বিদ্বেষী আচরণ করছে, তারাই আবার ভোট চাওয়ার জন্য নারীকে ঘরে-ঘরে পাঠাচ্ছে। যে দলটির নামের সঙ্গে ইসলাম আছে, তারা ইসলামকে অপব্যবহার করে জান্নাতের টিকিট বিক্রির মাধ্যমে, ধর্মীয় অপব্যাখ্যায় মানুষকে প্রলুব্ধ করার মাধ্যমে, বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট উক্তির মাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। তাদের প্রকাশিত ইশতেহারেও আমরা সেই দ্বিচারিতার প্রমাণ দেখতে পাই। তারা রাস্তাঘাটে ভারতবিরোধী অবস্থানের কথা প্রকাশ করলেও ইশতেহারে দেশের এত ছবি থাকার পরও অসংখ্য ভারতীয় ছবি ব্যবহার করেছে, যা ব্যাখ্যাতীত।
মাহদী আমিন আরও বলেন, দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন, বিভিন্ন গ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠানের জরিপ, তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভায় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ও ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং মাঠের বাস্তবতার নিরিখে বিএনপি জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে সর্বোচ্চ চূড়ায় অবস্থান করছে। সারাদেশে ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে, ধানের শীষের নিরঙ্কুশ বিজয় সুনিশ্চিত।