বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

গ্যাসকূপ খননের কাজ
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার দেশে ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। পাশাপাশি গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে তিন থেকে চারটি নতুন ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল বা এফএসআরইউ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ফোরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত ‘সাসটেইনেবল পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি: ড্রাইভিং ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি খাত অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। একইসঙ্গে বিগত সরকারের কাছ থেকে পাওয়া রাজস্ব ঘাটতি, ব্যাংক খাতের বিশৃঙ্খলা ও বিদেশে ডলার পাচারের মতো সমস্যা কাটিয়ে উঠতে বর্তমান সরকার কাজ করছে।
জ্বালানি সংকট নিরসনে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর ছাড় ও প্রণোদনা সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বাসাবাড়ি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এসব প্যানেল থেকে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ স্বাভাবিক ট্যারিফের চেয়ে বেশি দামে কেনার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করার কথা উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চুক্তিভিত্তিক অনুসন্ধানের পাশাপাশি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানিকে (বাপেক্স) শক্তিশালী করে ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তিন থেকে চারটি নতুন এফএসআরইউ স্থাপনের পরিকল্পনায় কোরীয়, চীনা ও মার্কিন বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা যুক্ত হচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, মাতারবাড়ীর পাশাপাশি খুলনার কাছে ২০ মিটার ড্রাফটের একটি নতুন স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে বড় জাহাজ থেকে সরাসরি তেল ও এলএনজি খালাসের সুবিধাসম্পন্ন আধুনিক টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে একটি জ্বালানি হাব গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
যৌক্তিক সময়ের মধ্যে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও জ্বালানি খাত স্থিতিশীল হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।