বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ
চীনের শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে সরাসরি কার্যক্রম শুরুর আহ্বান জানিয়েছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ অর্থায়ন সহজীকরণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে গতকাল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ডে’ শীর্ষক এক বিশেষ সম্মেলনে এ আহ্বান জানানো হয়। এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব চায়নার (চায়না এক্সিম ব্যাংক) সদর দপ্তরে ইনভেস্ট বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার ইনভেস্ট বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে চীনের ১১টি শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে সম্পদের হিসাবে বিশ্বের বৃহত্তম চার ব্যাংকের তিনটি—ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না (আইসিবিসি), অ্যাগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না (এবিসি) এবং ব্যাংক অব চায়না (বিওসি) উপস্থিত ছিল। এছাড়া বিভিন্ন খাতের ২৬টি শীর্ষ চীনা করপোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চায়না এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কাং এবং চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ যৌথভাবে ‘দ্য নেক্সট ফ্রন্টিয়ার—বাংলাদেশ–চীন ফাইন্যান্সিয়াল কানেক্টিভিটি’ শীর্ষক একটি মূল উপস্থাপনা তুলে ধরে। এতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ বিলিয়ন ডলারে। বিশাল বাণিজ্য সত্ত্বেও বাংলাদেশে এখনো কোনো চীনা ব্যাংক সরাসরি ব্যাংকিং পরিচালনা করছে না; অথচ সমপরিমাণ বা কম বাণিজ্য থাকা সত্ত্বেও কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারের মতো দেশে চীনা ব্যাংকের শাখা রয়েছে। উপস্থাপনায় বাংলাদেশের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতসমূহ, বিশেষ করে চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল (সিইআইজেড) এবং মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ ও প্রকল্পের অর্থায়নে চীনা ব্যাংকগুলোর যুক্ত হওয়ার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার মূল চাবিকাঠি হলো দুই দেশের মধ্যে আর্থিক সংযোগ স্থাপন। বাংলাদেশে যেসব চীনা প্রতিষ্ঠান কাজ করছে বা করতে আগ্রহী, তাদের কার্যকর বাণিজ্য অর্থায়ন, যন্ত্রপাতি আমদানির ঋণ, চলতি মূলধন ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সহায়তা প্রয়োজন। তাই বাংলাদেশে চীনা ব্যাংকগুলোর সরাসরি উপস্থিতি উভয় দেশের অর্থনীতির জন্যই লাভজনক হবে। অন্যদিকে চায়না এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কাং জানান, বাংলাদেশে অবকাঠামো, জ্বালানি, কৃষি ও উৎপাদন শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে বর্তমানে তাদের প্রায় ৪০টি প্রকল্প রয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের উৎপাদন ও সেবামুখী অর্থনীতির বিকাশকে এগিয়ে নিতে বস্ত্র ও স্বাস্থ্যসেবার মতো অগ্রাধিকার খাতে শীর্ষ চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরাসরি বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে চায়না এক্সিম ব্যাংক।