বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
অনলাইন ব্যবসা ও ডিজিটাল বাণিজ্য খাতকে সুশৃঙ্খল নজরদারির আওতায় আনতে সরকার একটি স্বতন্ত্র ‘ই-কমার্স কর্তৃপক্ষ’ গঠনের বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রবিবার জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে শেরপুর-১ আসনের বিরোধীদলীয় (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য এম রাশেদুল ইসলাম রাশেদের কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে উত্থাপিত জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, প্রস্তাবিত এই কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দেশে কার্যরত বিভিন্ন মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ও অনলাইন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম কঠোর নজরদারিতে আনা হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, কোভিড-১৯ মহামারির সময় থেকে দেশে অনলাইন ব্যবসার ব্যাপক প্রসার ঘটায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা, জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতি এবং ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি (ডিবিআইডি) নিবন্ধন নির্দেশিকাসহ প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো প্রণয়ন করেছে।
ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, কিউ-কম, ধামাকা শপিং ও আলিশা মার্টসহ বিতর্কিত অনলাইন প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক প্রতারণার পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী সংসদে বলেন:
ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তারা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে মোট ৫৮ হাজার ৭২০টি আর্থিক প্রতারণার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
দাখিলকৃত এসব অভিযোগের বিপরীতে আর্থিক দাবির মোট পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা।
মন্ত্রী জানান, ২০২২ সালের পূর্বে অনলাইন ব্যবসায়ের নিবন্ধন ও তদারকিতে সুনির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকলেও ডিবিআইডি নির্দেশিকা জারির পর যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরকে (আরজেএসসি) দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ পর্যন্ত আরজেএসসি মোট ১ হাজার ৯০২টি অনলাইন প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল নিবন্ধন প্রদান করেছে।
প্রতারিত গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে এ পর্যন্ত ৫৩১ কোটি টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। উদ্ধারকৃত এই অর্থের মধ্যে ৪৭২ কোটি টাকা ইতিমধ্যে প্রকৃত ভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট অর্থ যাচাই-বাছাই শেষে বণ্টন করা হবে।