বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

এ কে আজাদ - ছবি : সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা, উৎপাদন ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির বিস্তারের প্রভাবে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় ধরনের কর্মীসংকোচনের ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পোদ্যোক্তা ও হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে হলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎপাদন পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে কর্মরত প্রায় ৭৫ হাজার জনবল থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে প্রায় ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করতে হতে পারে।
এ কে আজাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশে মূল্যস্ফীতির ধারাবাহিক প্রভাবে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রতিবছরই শ্রমিকদের বেতন ও অন্যান্য সুবিধা বাড়াতে হচ্ছে, যা উৎপাদন ব্যয়কে আরও উঁচু পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় ব্যয় বাড়লেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ক্রেতারা পোশাকের মূল্য বাড়াতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। বরং তারা উৎপাদন খাতে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ও এআই ব্যবহারের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, যাতে কম জনবল দিয়ে অধিক উৎপাদন সম্ভব হয়।
শিল্পোদ্যোক্তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদনের দিকে অগ্রসর হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। এর ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানে জনবল পুনর্বিন্যাস বা কর্মীসংখ্যা কমানোর প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।
দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সরকারের কাছে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত সহায়তার আহ্বান জানিয়ে এ কে আজাদ বলেন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা না গেলে বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের অবস্থান ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান রক্ষা করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।