বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী -ছবি : সংগৃহীত
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দেশের বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে দেশের প্রতিটি নাগরিককে মাথায় রেখে। তিনি বলেন, বাজেট হবে এমন যা দেশের মানুষকে সমানভাবে প্রভাবিত করবে এবং অর্থনীতির সুফল সবাইকে পৌঁছাবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের খারাপ সময়, ভঙ্গুর অর্থনীতি তার মধ্যেও আমরা চেষ্টা করেছি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করতে। বাজেটের মাধ্যমে আমরা দেশের প্রতিটি মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাই।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীল পদক্ষেপের ফলে ক্রমেই ঋণ-নির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগ-ভিত্তিক অর্থনীতির দিকে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
আমাদের পরিচালন ব্যয় কমাতে হবে, বিনিয়োগ বাড়াতে হবে যাতে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ সংরক্ষিত থাকে এবং আমাদের ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমির স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয় বলেন অর্থমন্ত্রী।
গত দুই বছর মানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বাংলাদেশে বিনিয়োগ একেবারেই শূন্য ছিল, এখন আপনাদের সরকারের তিন মাস পার হলো। বিনিয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে বা বিনিয়োগের বিষয়ে কোনো আশ্বাস রয়েছেন কিনা? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না। বাংলাদেশের বাংলাদেশের অর্থনীতি হবে বিনিয়োগ ভিত্তিক অর্থনীতি। টাকা ছাপিয়ে এই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে দেশকে ঋণাত্মক একটা অবস্থায় নিয়ে গেছে। আমাদের এই ঋণের সুদের বাজেট একটা বিরাট অংশ চলে যায়।
বাংলাদেশকে যে ঋণ নির্ভর অর্থনীতির দিকে যাচ্ছিলাম সেখান থেকে আগামী দিনে ফিরে আসার জন্য যে পাবলিক ফাইনান্স ম্যানেজমেন্ট দরকার, আমরা সেভাবেই করার চেষ্টা করছি। যাতে করে ক্রমান্বয়ে ঋণ ওপর নির্ভর কম করে বিনিয়োগের উপর বেশি নির্ভর করতে হবে। আমাদের পরিচালন ব্যয় ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনতে হবে, বিনিয়োগ বেশি বাড়াতে হবে। অর্থমন্ত্রী নিশ্চিত করেন, দেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীল ও বিনিয়োগ-কেন্দ্রিক হয়ে উঠবে।
এছাড়া তিনি দেশের ঋণ বোঝার বিষয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, আগের সরকারের ঋণের কারণে বাজেটের বড় অংশ সুদে চলে যায়। আমরা চাই, ক্রমান্বয়ে ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হোক।
অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই বাজেট বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ভিত্তিতে দাঁড় করাতে এবং দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে।