বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই এবং ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মতোই ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে সব নাগরিককে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পুনর্গঠনে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর মহাখালী ও গুলশান-বনানী এলাকার পূজামণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মোস্তফা জুলফিকার হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে স্মরণ করিয়ে দেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান নির্বিশেষে সব ধর্মের দেশপ্রেমিক মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে মানুষের ভোটাধিকার ও বাক্স্বাধীনতা রক্ষা এবং চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানেও ধর্মীয় পরিচয় কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘স্বাধীনতার জন্য এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আমরা যেমন ধর্ম বা জাতপাত দেখিনি, তেমনি আগামী দিনে বাংলাদেশ বিনির্মাণের লড়াইয়েও আমরা ধর্ম দেখব না; আমরা দেখব কে এ দেশের নাগরিক।’ নাগরিক সমঅধিকারের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সবার সবচেয়ে বড় পরিচয়—আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ। এ দেশের ওপর আপনার যেমন অধিকার রয়েছে, তেমনি রয়েছে আমারও।’ আবহমান বাংলার সহস্রাব্দের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে সব সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে মহাখালী রক্ষাকালী মন্দির পরিদর্শন করে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরবর্তীতে তিনি বনানী পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন এবং সেখানে সমবেত পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে উৎসবের শুভেচ্ছা ভাগ করে নেন।