বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

রোববার সাভার সেনানিবাসে নবম পদাতিক ডিভিশনের অধীনে সাতটি রেজিমেন্ট ও ব্যাটালিয়নকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী - ছবি: পিএমও
পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে সেনাসদস্যদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, আবাসন, চিকিৎসা, শিক্ষা এবং অবসর-পরবর্তী সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেনাসদস্যদের জন্য যুগান্তকারী ‘ওয়ান র্যাংক ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে সাভার সেনানিবাসে ৯ম পদাতিক ডিভিশনের আয়োজনে সেনাবাহিনীর সাতটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক বিশ্বের নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এখন শুধু স্থল, সমুদ্র ও আকাশসীমা রক্ষার মধ্যেই জাতীয় নিরাপত্তার ধারণা সীমাবদ্ধ নেই। সাইবার স্পেস, মহাকাশ, ড্রোন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং তথ্যভিত্তিক সক্ষমতাও জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এ বাস্তবতায় সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি ও সক্ষমতাকে সময়োপযোগী করে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সেনাবাহিনীর পেশাগত উৎকর্ষ, শৃঙ্খলা, দক্ষতা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যুদ্ধকালীন ও শান্তিকালীন দায়িত্ব পালনে বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়।
জাতীয় পতাকা প্রাপ্তির গৌরব অর্জনকারী ইউনিটগুলো হলো ৭ ও ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর)।
অনুষ্ঠানে এসব ইউনিটের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড শুধু একটি পতাকা নয়; এটি একটি ইউনিটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ, পেশাদারত্ব এবং দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক। এই পতাকা জাতীয় গৌরবের পাশাপাশি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী মানুষের অবদানকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
তিনি বলেন, জাতীয় পতাকা অর্জনের অর্থ হলো অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে পালনের নতুন শপথ। এই পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব।
সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা সম্পর্কে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি আধুনিক বাহিনীর প্রকৃত শক্তি শুধু অস্ত্র, সরঞ্জাম কিংবা জনবলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মূল শক্তি নিহিত রয়েছে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ এবং জনগণের আস্থার মধ্যে।
তিনি আরও বলেন, সামরিক বাহিনীর কার্যক্রমে চেইন অব কমান্ড বা নির্দেশনার ধারাবাহিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শৃঙ্খলা ও পেশাগত দক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে পারলেই একটি বাহিনী তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি জনগণের আস্থা অটুট রাখা এবং পেশাগত উৎকর্ষ বজায় রাখা তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আধুনিক প্রশিক্ষণ, নৈতিকতা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দায়িত্বশীলতার সমন্বয়েই একটি শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্ম হয়েছে। ফলে দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে সেনাবাহিনীর ইতিহাস অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র মানুষের ওপর বর্বরোচিত হামলা শুরু করলে চট্টগ্রামে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণা করেন। পরে তিনি বাংলাভাষী কর্মকর্তা ও সৈনিকদের সশস্ত্র সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে জিয়াউর রহমান সশস্ত্র সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার নির্দেশ দেন এবং ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে।
জিয়াউর রহমানের লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ নিবন্ধের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধের সঙ্গে সেনাবাহিনীর জন্মের ইতিহাস গভীরভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণেই স্বাধীনতাপ্রিয় দেশপ্রেমিক জনগণ সেনাবাহিনীর সাফল্যকে বাংলাদেশের সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করে।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশপ্রেম এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধের ধরন ও নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ এখন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ।
ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা আধুনিক সামরিক কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসব ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়ানো সময়ের দাবি।
তিনি জানান, সশস্ত্র বাহিনীকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার উপযোগী ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।
প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা সামগ্রী দেশে উৎপাদনের জন্য দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠায় সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে উঠলে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহে নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন এবং প্রতিরক্ষা খাতের দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি জোরদার করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সরকারের লক্ষ্য হলো, পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা পূরণে আধুনিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও উৎপাদন সক্ষমতার সমন্বয় ঘটানো। এ ক্ষেত্রে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতীয় পে-স্কেলে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বেতন ও ভাতা ১০০ শতাংশ থেকে ১৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
তিনি বলেন, সেনাসদস্যদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘ওয়ান র্যাংক ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন।
এই ব্যবস্থার পাশাপাশি সেনাসদস্যদের আবাসন, চিকিৎসা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং অবসর-পরবর্তী সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের পেশাগত দক্ষতা ও কর্মস্পৃহা ধরে রাখতে কল্যাণমূলক উদ্যোগ, প্রশিক্ষণ এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের বিষয়গুলোও সমান গুরুত্ব পাওয়া উচিত।
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সামরিক সদস্যরা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় অবদান রাখছেন।
একই সঙ্গে দেশের ভেতরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জরুরি পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন জাতীয় প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলা ও জরুরি পরিস্থিতিতে জনগণের পাশে দাঁড়ানো সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্বশীল ভূমিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে বাহিনীর পেশাদারত্ব ও জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষা হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার। বাংলাদেশ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে চায়।
তিনি বলেন, একটি শক্তিশালী, আধুনিক ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতার উন্নয়ন অপরিহার্য।
সকালে প্রধানমন্ত্রী সাভার সেনানিবাসে পৌঁছালে তাকে সশস্ত্র সালাম জানানো হয়। ৯ম পদাতিক ডিভিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, উপদেষ্টা, বিদেশি কূটনীতিক এবং সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদানের মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনীর পেশাগত সাফল্য ও অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠা, সেনাসদস্যদের কল্যাণ এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, সরকারের ঘোষিত অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদন জোরদার এবং বাহিনীর সদস্যদের জীবনমান উন্নয়ন। এসব উদ্যোগের বাস্তবায়ন দেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।