বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সাথে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও দৃঢ় করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি এ বার্তা দেন রাষ্ট্রপতি।
বিবৃতিতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, দুর্গাপূজা বাংলাভাষী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধানতম ধর্মীয় উৎসব। শরতের শুভ্র কাশফুল ও উৎসবমুখর আবহে প্রতিবছর দেবী দুর্গার আগমন ভক্তদের হৃদয়ে নতুন কল্যাণ ও শুভবোধের প্রত্যয় জাগায়। তিনি বলেন, দুর্গোৎসবের অন্তর্নিহিত মূল বাণী হলো অশুভ ও ধ্বংসাত্মক শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে সত্য, সুন্দর ও ন্যায়ের বিজয় নিশ্চিত করা। যে কোনো অন্যায়, অসত্য ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচার ও মানবতার চিরন্তন বার্তাই এই উৎসব বহন করে।
তিনি আরও বলেন, আবহমানকাল ধরে এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় যে আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছে, তা আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য এক দৃষ্টান্ত। এ উৎসব শুধু ধর্মীয় গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ও সমাজ সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে মিশে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে। তিনি দেশের প্রতিটি ধর্মাবলম্বী নাগরিক যেন স্বাধীন, নিরাপদ এবং আনন্দঘন পরিবেশে নিজেদের ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমান অধিকার নিশ্চিতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অন্যান্য উপাসনালয়ের মতো সনাতন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার ও পরিচালনায় সরকারি সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম জোরদার এবং অনুদান ব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত করা হয়েছে। ধর্ম-বর্ণের কারণে কেউ যেন কোনো ধরনের বৈষম্য বা বঞ্চনার শিকার না হন তা নিশ্চিতে সবাইকে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে দুর্গোৎসবের আনন্দ সমাজের দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।