বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ইকবাল সোবহান চৌধুরী -ছবি : সংগৃহীত
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর মহাখালীর ডিবিসি কার্যালয় থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি-মিডিয়া) মো. আখতার হোসেন।
তিনি জানান, একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে ডিবিতে নিয়ে আসা হয়েছে।
তাকে আটক করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডিবি জানিয়েছে, তাকে আটক বা গ্রেপ্তার এখনো করা হয়নি। ডিবি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
তার সঙ্গে আর কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবের তিনি বলেন, আমাকে ডিবি শুধুমাত্র তার কথাই জানিয়েছে।
তবে ডিবিসি সূত্র জানিয়েছে, নিউজরুম থেকে আরও দু’জন সাংবাদিককে নিয়ে গেছে ডিবি।
তবে কী কারণে তাকে আটক করা হয়েছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে একটি সূত্রের দাবি, চলমান শ্রমিক আন্দোলনে ইন্ধনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এর আগে গত ১৫ এপ্রিল ওমরাহ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরব যাওয়ার পথে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে ফেরত পাঠানো হয়। সেদিন সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তার জেদ্দা যাওয়ার কথা ছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন প্রবীণ এই সাংবাদিক। তবে ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজীর জানাজায় অংশ নিতে প্রেসক্লাবে যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীসহ আওয়ামীপন্থী সিনিয়র কয়েকজন সাংবাদিক। তখন জামায়াত নেতাদের সঙ্গে এক টেবিলে তাদের বসার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরপর থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে প্রকাশ্যে আর দেখা যায়নি।
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি বাসসের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে ডিবিসি নিউজের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি রাজনীতিতেও যুক্ত তিনি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ফেনী-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার সরকারে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।