বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
যুবসমাজকে যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি ও জাতীয় অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সংকট মোকাবিলা এবং দেশের সার্বিক উন্নয়ন অভিযাত্রায় তরুণদের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষায় যুবসমাজকে সমৃদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ১ নভেম্বর উদযাপিত হতে যাওয়া 'জাতীয় যুব দিবস-২০২৬' উপলক্ষে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতি গঠনে তরুণদের অপরিসীম সম্ভাবনা অনুধাবন করে ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (বর্তমান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়) প্রতিষ্ঠা করেন এবং মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম বিস্তারে ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর গঠন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দেশের প্রতিটি জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তুলে কারিগরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের আত্মনির্ভরশীল করার উদ্যোগ নেন। এ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এ পর্যন্ত ৮০ লাখেরও বেশি তরুণ-তরুণীকে বিভিন্ন মেয়াদে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ তরুণ আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে প্রতি মাসে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা বা তারও বেশি আয় করছেন। পাশাপাশি যুব উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা দিতে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৬১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার যুবঋণ বিতরণ করা হয়েছে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৫৪৬ জন আত্মকর্মী ও যুব সংগঠককে জাতীয় যুব পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রথাগত শিক্ষার বাইরে কারিগরি ও তথ্যপ্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন এখন তরুণদের জন্য অপরিহার্য। সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে তরুণরা অনলাইনে কাজ করে সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণে ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের মাধ্যমে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন, স্মার্ট কৃষি, রপ্তানিমুখী প্যাকেজিং, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিদেশি ভাষা শিক্ষার মতো সম্ভাবনাময় খাতে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ চালুর তাগিদ দেন তিনি। তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ যাতে মূলধনের অভাবে থমকে না যায়, সে লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো দেশে স্টার্টআপ বাজেট বরাদ্দসহ ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ স্টার্টআপ তহবিল গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’-এর ওপর আস্থা রেখে প্রধানমন্ত্রী তরুণ সমাজকে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান এবং জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।