বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
সংগঠিত, দক্ষ ও দেশপ্রেমে অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজই একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তরুণ প্রজন্মের জন্য মানসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। ১ নভেম্বর উদযাপিত হতে যাওয়া 'জাতীয় যুব দিবস-২০২৬' উপলক্ষে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি এবং সার্বিক অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি।
দেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতীয় ইতিহাসের প্রতিটি সংকট ও গণতান্ত্রিক অর্জনে তরুণরাই অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি অর্জনেই যুবসমাজের অবদান অবিস্মরণীয়। তরুণ জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনশীল মানবসম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হলে একটি আত্মনির্ভরশীল, মানবিক ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথ সুগম হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ অত্যন্ত সময়োপযোগী আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, জনসংখ্যার বড় অংশ তরুণ হওয়ায় বাংলাদেশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনমিতিক সুবিধার (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যুবসমাজকে কার্যকর জনশক্তিতে রূপান্তরের যে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন, পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সেই উদ্যোগকে সাংগঠনিকভাবে সুদৃঢ় করেন। বর্তমান সরকার যুব কার্যক্রমকে আধুনিকায়ন করতে সরকারি ও বেসরকারি সমন্বয়ে নানামুখী যুগোপযোগী কর্মসূচি পরিচালনা করছে। বিশেষ করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে তরুণদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, ফ্রিল্যান্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), উন্নত কৃষি ও কারিগরি প্রশিক্ষণে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে, যা আত্মকর্মসংস্থান ও তরুণ উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে সরাসরি ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে তিনি একটি সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে তরুণদের সামাজিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে মাদক প্রতিরোধ, পরিবেশ সুরক্ষা, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধ এবং সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে তরুণ সমাজকে সোচ্চার ভূমিকা রাখার পরামর্শ দেন। তিনি যোগ করেন, যুবসমাজের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান ও একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাকে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিটি স্তরের যৌথ অঙ্গীকার হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।