বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁকে কোনো প্রকার মব বা আইনবহির্ভূত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না, বরং প্রচলিত আইনের আওতায় ন্যায়বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে দেশে ফেরার পর তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সমসাময়িক রাজনৈতিক সহিংসতা, উগ্রবাদী ও চরমপন্থি গোষ্ঠীর অপতৎপরতা, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা প্রদান এবং পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) ‘ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত বক্তব্য নিয়ে কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে দীর্ঘদিনের আলোচনা ও জল্পনাকল্পনা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ বলেন, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাসের কথা বলা হলেও তিনি যদি স্বেচ্ছায় ফিরে আসেন তবে সরকারের জন্য তা ইতিবাচক হবে, কারণ কাউকে জোরপূর্বক বন্দি করে আনার জটিলতা থাকবে না। সাবেক সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ক্ষমতাচ্যুতির উদাহরণ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, এরশাদ ক্ষমতা হারানোর পরও দেশেই অবস্থান করেছিলেন, কারাবরণ করেছিলেন এবং নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন; সে সময় পুলিশও তাদের স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন করেছে। শেখ হাসিনা কারও প্রতি সুবিচার করেননি উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার তাঁর বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এক মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে ডা. জাহেদ বলেন, প্রাথমিক তথ্যে একটি রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং এই অপকর্মের জন্য দায়ীদের অবশ্যই উপযুক্ত পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, কোনো মানুষের মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহের প্রতি অবমাননাকর আচরণ সমাজ কখনোই ইতিবাচকভাবে নেয় না। বিচার ও শাস্তির ঊর্ধ্বে গিয়ে মৃত্যুর পর মানুষ স্রষ্টার দরবারে উপস্থিত হয়, তাই মরদেহ নিয়ে এমন হীন রাজনীতি করা ব্যক্তিরা শেষ পর্যন্ত সমাজে কেবল নিন্দিতই হবেন।