বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল -ছবি : সংগৃহীত
আদালতে বিচারকের সংখ্যা বা বেঞ্চ বাড়ালেই মামলার দীর্ঘসূত্রতা দূর হবে না; বরং প্রতিটি বেঞ্চে মামলা নিষ্পত্তির কার্যকারিতা বাড়ানো জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
রোববার (২৫ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া ঘটনাটির সমাধান আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়, বরং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, মামলার জট নিরসনে শুধু বেঞ্চের সংখ্যা বাড়ানোর দিকে নজর দিলে চলবে না। সংশ্লিষ্ট বেঞ্চগুলো কত দ্রুত ও কার্যকরভাবে মামলা নিষ্পত্তি করছে, সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় গঠিত একটি বেঞ্চের উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, ওই বেঞ্চ প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ কার্যদিবসে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিদের ২৪টি মামলা নিষ্পত্তি করেছে। তিনি বলেন, একই ধরনের এখতিয়ার থাকা অন্য বেঞ্চগুলোর মামলা নিষ্পত্তির সক্ষমতাও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। বিশেষ করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি দীর্ঘদিন কারাবন্দি রয়েছেন, তাদের মামলাও দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি। কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে আইন অনুযায়ী সাজা ভোগ করবেন আর নির্দোষ হলে খালাস পাবেন এটাই ন্যায়বিচারের মূলনীতি।
মামলার চাপ ও নিষ্পত্তির পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রধান বিচারপতি প্রয়োজন অনুযায়ী বেঞ্চ বা বিচারপতির সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন বলেও উল্লেখ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তবে তাঁর বক্তব্য, বিচারপ্রক্রিয়ার গতি নিশ্চিত না হলে শুধু বেঞ্চ বাড়িয়ে মামলার জট কমানো কঠিন।
এদিকে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এজলাসে জায়গার সীমাবদ্ধতা এবং আইনজীবীদের উপস্থিতি বেশি হওয়ায় কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে নির্দিষ্টসংখ্যক প্রতিনিধিকে প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার যে প্রস্তাব এসেছে, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
তিনি জানান, এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রস্তাব প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে এবং আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।