বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ও উৎসবমুখর পরিবেশে গতকাল বুধবার দিনব্যাপি উদযাপিত হলো দৈনিক দেশের কণ্ঠের ৯ম ও ডেইলি এক্সপ্রেস-এর তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ফুল দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সম্পাদক-প্রকাশক মোঃ আলমগীর হোসেনকে শুভেচ্ছা জানান। পত্রিকা কার্যালয়ের ঘরোয়া পরিবেশে হলেও আয়োজনটি ছিল উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত। কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। একে একে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, কেক কাটা এবং প্রীতিভোজ। দিনভর ছিল নানারকম আপ্যায়ন। সমাজের সর্বস্তরের শ্রেণীপেশার বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে দৈনিক দেশের কণ্ঠ ও এক্সপ্রেস কার্যালয় মুখরিত হয়ে ওঠে। দিনটি পরিণত হয়েছিল আগত বিশিষ্ট অতিথি ও লেখক সাহিত্যিকদের আনন্দমুখর মিলনমেলায়।

কেককাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আলমগীর হোসেন এবং উপদেষ্টা সম্পাদক কবি নাসির আহমদ। অনুষ্ঠানে কেককাটার সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ এস এম আবদুল হালিম, ডিএফপির মহাপরিচালক খালেদা বেগম, ডিএফপির পরিচালক (বিজ্ঞাপন ও নিরীক্ষা) সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ, ডিএফপির উপ-পরিচালক (বিজ্ঞাপন ও নিরীক্ষা) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান, পানি উন্নয়ন বোর্ড এর জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মোঃ আব্দুল মতিন, রূপালী ব্যাংকের বিভাগীয় কার্যালয় ঢাকা উত্তর-এর শেখ মুনজুর করিম, কৃষি ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা নুরুল আলম, কমার্স ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা হাসান মাহমুদ, শিল্পকলা একাডেমীর প্রশাসন বিভাগের কর্মকর্তা মাহমুদুল হক জিহাদসহ অনেকেই।

অনুষ্ঠানে আগত অতিথিসহ অনেকেই দৈনিক দেশের কণ্ঠের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বক্তব্য রাখেন। বর্ণাঢ্য বিশেষ সংখ্যার প্রশংসা করে কবি সাহিত্যিকদেরও অনেকে বিভিন্ন ইতিবাচক মন্তব্য করেন। সবার মুখে একটি কথাই বারবার প্রতিধ্বনিত হয়েছে, তা হলো- দেশের কন্ঠের সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা এবং গণমুখীনতা। গতকাল প্রকাশিত ৩২ পৃষ্ঠার বিশেষ সংখ্যাটির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে বক্তারা বলেন এমিরেটাস অধ্যাপক ডক্টর সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীসহ প্রায় শত লেখকের বিচিত্র লেখায় লেখায় সজ্জিত দেশের কন্ঠের এই সংখ্যা উচ্চ মানের একটি পত্রিকার পরিচয় বহন করে।
কথাশিল্পী নাসরীন জাহান বলেন, দৈনিক দেশের কণ্ঠের সঙ্গে কবি নাসির আহমেদের সূত্রে আমার সংযোগ। এর সাহিত্য পাতাটি আমার খুবই পছন্দ। কবি বিমল গুহ বলেন, দৈনিক দেশের কন্ঠ সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা এবং উচ্চমানের সাহিত্যপাতা আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। কবি আশরাফ আহমেদ শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, এই পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক আমার ৫০ বছরের বন্ধু। তার সূত্রেই দৈনিক দেশের কন্ঠের সঙ্গে আমাদের এই সংযোগ । দেশের কন্ঠ আরো এগিয়ে যাবে, এই আমার প্রত্যাশা।
কথাশিল্পী ঝর্না রহমান বলেন , কবি নাসির আহমেদ যখনই আমার কাছে লেখা চান আমি দৈনিক দেশের কণ্ঠে তখনই লিখি, তাঁকে না করতে পারি না। লিখে আমি তৃপ্ত, কারণ অত্যন্ত মানসম্পন্ন একটি সংখ্যা তিনি সম্পাদনা করেছেন।
এ ছাড়াও কবি-সাহিত্যিক ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কথাশিল্পী ফরিদুর রহমান, বাংলা একাডেমীর পরিচালক কবি তপন বাগচী, কবি অনিকেত শামীম, কবি-প্রাবন্ধিক সৈয়দ মাজহারুল পারভেজ, দৈনিক খবরের কাগজের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক খালেদ ফারুকী, কবি-সাংবাদিক শিল্পী হাসান মাহমুদ, কবি শেলী সেনগুপ্তা, কবি ও কথাসাহিত্যিক নভেরা হোসেন, সাংবাদিক ইয়াসমীন রীমা, শিশুসাহিত্যিক স ম শামসুল আলম, কবি সোহাঙ্গল বিপ্লব, কবি নজরুল ইসলাম নাঈম, শিশুসাহিত্যিক বোরহান মাসুদ, আলোকচিত্রী কে এম দুলাল প্রমুখ।

এর আগে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা বেগমসহ আমন্ত্রিতবিভিন্ন গণ্যমান্য অতিথিরা তাদের বক্তৃতায় দৈনিক দেশের কন্ঠের প্রকাশনার উত্তরোত্তর সমৃদ্ধিতে সম্পাদক ও প্রকাশক আলমগীর হোসেনের নিষ্ঠার প্রশংসা করেন এবং পত্রিকাটির আরো সাফল্য কামনা করেন।
সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সাংস্কৃতিক পর্ব। এই আনন্দ অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন হোসনে আরা রীমা, হাসান মাহমুদ, আস্থিত রেবতী, অর্চি অনন্যা, কবির হাসান। তবলায় ছিলেন আবুল হোসেন। সাংস্কৃতিক পর্ব উপস্থাপনায় ছিলেন জান্নাতুল ফেরদৌস অনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিসহ সবাইকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আলমগীর হোসেন। তিনি গত নয় বছরের চড়াই উতরাইয়ের পথ পেরিয়ে এতদূর আসার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে ডিএফপির মহাপরিচালকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘ ২৫ বছর পরে এ সপ্তাহে বাংলাদেশের সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন রেট বৃদ্ধির প্রস্তাব কার্যকর করার ক্ষেত্রে মহাপরিচালকের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টা ছিল, সে কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন। আগামী দিনের পথ চলায় বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সবশেষে তিনি দেশের সকল পাঠক, সংবাদকর্মী, বিজ্ঞাপনদাতা ,হকার, এজেন্ট ও শুভানুধ্যায়ীদের এই আয়োজনের পেছনে সক্রিয় ভূমিকা ও অবদান রাখায় আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।