বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) দলটির চেয়ারম্যানের বার্তা সম্পাদক শৌর্য দীপ্ত সূর্য এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিকে জি এম কাদেরের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন একদল বিক্ষোভকারী। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা এবং ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ তুলে তাঁরা জি এম কাদেরকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
‘স্বৈরাচারবিরোধী সাধারণ জনগণ’ ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় ছাত্র-জনতা ও সাধারণ নাগরিকেরা অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা উত্তরার ওই বাসার সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তাঁর বিচারের দাবি তোলেন।
বিক্ষোভ মিছিলে ব্যবহৃত ব্যানারে কারাগারে বন্দি জি এম কাদেরের প্রতিকৃতি ছিল। সেখানে তাকে গ্রেপ্তার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান লেখা হয়। ব্যানারে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও তুলে ধরা হয়।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে বহু মানুষের প্রাণহানির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পরিবর্তন এলেও জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ এবং ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ বজায় রাখছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় পার্টি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারকে রাজনৈতিক বৈধতা দেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিল।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের সহযোগীদের রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। অতীতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
তারা জি এম কাদেরকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তবে বাসভবনে হামলার অভিযোগ এবং বিক্ষোভকারীদের উত্থাপিত রাজনৈতিক অভিযোগের বিষয়ে জি এম কাদের বা জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।