বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ
বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে দ্রুত একটি কার্যকর মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি (এফটিএ) চূড়ান্তকরণ, আকাশপথে যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নিয়ে জার্মান রাষ্ট্রদূত এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রদূত লোটজ বলেন, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও জার্মানির ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করবে। দেশে নির্বাচন-পরবর্তী ধারাবাহিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশংসা করে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের সুযোগ নিতে জার্মান ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। এ বাস্তবতায় তিনি বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি দ্রুত স্বাক্ষর এবং বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানান।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন অভিযাত্রায় জার্মানির দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক অংশীদারত্ব ও অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা, কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের রূপান্তর, জলবায়ু অভিযোজন কর্মসূচি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং বৈধ অভিবাসনের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন।
সাক্ষাতকালে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেন। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কূটনৈতিক ফোরামে যৌথ পদক্ষেপ অব্যাহত রাখা এবং সামগ্রিক বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ককে আরও সুসংহত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দুই দেশের মধ্যকার নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ দীর্ঘদিনের এই কৌশলগত বন্ধুত্বে নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে।