বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান -ছবি : সংগৃহীত
দেশের বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন কার্যক্রমকে ধাপে ধাপে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। অনলাইনভিত্তিক এ ব্যবস্থা চালু হলে তথ্য গোপন করে একাধিক বিয়ে এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি।
শনিবার রাজধানীর নিকেতনে ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের জন্য আয়োজিত ১০ দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী। ‘অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
আইনমন্ত্রী জানান, পর্যায়ক্রমে দেশের সব কাজীকে অনলাইন নিবন্ধন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। অনলাইনে সংরক্ষিত বিবাহ ও তালাকের তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্মনিবন্ধন এবং পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডারের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, নতুন এ ব্যবস্থায় কোনো ব্যক্তি আগে কোথাও বিয়ে করেছেন কি না, তা সহজেই যাচাই করা যাবে। এনআইডির মাধ্যমে অনলাইনে তথ্য অনুসন্ধান করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বৈবাহিক অবস্থার তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে। এতে কেউ তথ্য গোপন করে একাধিক বিয়ে করলে তা শনাক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো ব্যক্তিকে আগে থেকেই বিবাহিত হিসেবে পাওয়া গেলে পরবর্তী বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা সম্ভব হবে। তার মতে, এভাবে ডিজিটাল নিবন্ধন চালু হলে বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর স্ত্রী বা সন্তানদের পক্ষ থেকে একাধিক দাবি উঠলেও নিবন্ধিত বিবাহের তথ্যের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য যাচাই করা যাবে। এতে উত্তরাধিকার নিয়ে বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমার সুযোগ কমার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও চাপ কমবে।
বিদেশে অবস্থানরত বা বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ডিজিটাল বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান আইনমন্ত্রী। কোনো ব্যক্তি বিদেশে গিয়ে তার স্ত্রীকে সঙ্গে নিতে চাইলে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষ অনলাইনে বিবাহের তথ্য যাচাই করতে পারবে। এর মাধ্যমে বৈবাহিক সম্পর্কের তথ্য দ্রুত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এদিকে ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রারদের দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার বিষয়টিও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি জানান, এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে রাজধানীর সাব-রেজিস্ট্রারদের পদায়ন লটারির মাধ্যমে করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রাররা দীর্ঘ সময় একই কর্মস্থলে থাকায় বদলির সময় বিভিন্ন মহল থেকে তদবিরের চাপ আসে। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে নিয়মনীতি অনুসরণ করে লটারির মাধ্যমে পদায়নের ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।