বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি ; সংগৃহীত
বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই করতে জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে এই সমন্বিত মহাপরিকল্পনার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, দেশের প্রতিটি জেলার পর্যটন সম্ভাবনা বিবেচনা করে স্থানীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমানে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যটনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলছে। ভ্রমণ পরিকল্পনা থেকে শুরু করে তথ্যপ্রাপ্তি, যাতায়াত, আবাসন ও বুকিং—সব জায়গাতেই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে।
এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে নিতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, অনলাইন বুকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং এআইভিত্তিক তথ্যসেবা পর্যটন গন্তব্যগুলোকে আরও সহজলভ্য ও নিরাপদ করে তুলতে পারে।
পর্যটন খাতের উন্নয়নে জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ, আধুনিক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণ এবং ইকো-ট্যুরিজম ও কমিউনিটি ট্যুরিজমের বিকাশেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারি সব পক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষাকে পর্যটন উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।