বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন -ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
তিনি বলেছেন, দেশের সমুদ্রসীমায় থাকা বিপুল সম্পদ ও সম্ভাবনা কাজে লাগাতে শিক্ষা ও গবেষণার ওপর আরও গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে সুনীল অর্থনীতি ও সার্কুলার ইকোনমিকে ঘিরে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ক্রিস্টাল বল রুমে আয়োজিত ‘দ্বিতীয় চীন-বাংলাদেশ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম বড় শক্তি হলো বিশাল জনগোষ্ঠী। এই জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার পাশাপাশি দেশের সমুদ্রসম্পদের সম্ভাবনাও কাজে লাগাতে হবে।
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশাল এই সামুদ্রিক অঞ্চলে থাকা সম্পদ ও সম্ভাবনা নিয়ে শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, সুনীল অর্থনীতি নিয়ে চীনের গবেষক ও শিক্ষকরাও কাজ করছেন। ফলে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও গবেষণা বিনিময়ের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
সমুদ্রসম্পদের সম্ভাবনা অনুসন্ধানের পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা বা টিভিইটি খাতেও বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন মানবসম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
সম্প্রতি চীন সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, সেখানে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যে ধরনের সংযোগ গড়ে উঠেছে তা তিনি দেখেছেন। সেই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা ও গবেষণাকে কেন্দ্র করে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা আরও জোরদার করা সম্ভব বলে মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, সুনীল অর্থনীতি, শিক্ষা, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাগুলো আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং চীনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।