বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আগামী মাসের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে পুরোদমে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এফবিসিসিআইয়ের গুলশান কার্যালয়ে সংগঠনটির প্রশাসক ফজলুল হকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতকালে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এফবিসিসিআইয়ের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
সাক্ষাৎকালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন দুপক্ষ। রুশ রাষ্ট্রদূত জানান, প্রকল্পটির প্রয়োজনীয় কারিগরি কাজ দ্রুততম সময়ে সমাপ্ত করতে বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার রুশ বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলী সার্বক্ষণিকভাবে মাঠে কাজ করছেন।
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, সরাসরি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে মস্কো চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি একটি যৌথ ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল’ গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান আলেকজান্ডার খোজিন। এছাড়া মস্কোতে একটি উচ্চপর্যায়ের ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম’ আয়োজনের পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করা হচ্ছে। আগামী নভেম্বরের শুরুতে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য দুদেশের আন্তঃসরকার কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ফোরামে বাংলাদেশি রফতানিকারকদের সুবিধার্থে সরাসরি বিটুবি (B2B) বৈঠকের বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে।
বৈঠকে এফবিসিসিআই প্রশাসক ফজলুল হক তৈরি পোশাকের বাইরে গিয়ে সম্ভাবনাময় খাতে রফতানি বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি রাশিয়ায় বাংলাদেশের মানসম্মত ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য ও সিরামিক পণ্যের রফতানি বৃদ্ধি এবং সেখানে দক্ষ কারিগরি জনশক্তি পাঠানোর অনুরোধ জানান।
রুশ রাষ্ট্রদূত ইতিবাচক সাড়া দিয়ে জানান, বাংলাদেশ থেকে জেনেরিক ওষুধ আমদানির পদ্ধতিগত অনুমোদন ও আইনি বিষয়গুলো রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বর্তমানে সক্রিয়ভাবে পর্যালোচনা করছে। পাশাপাশি রাশিয়ার তীব্র শীত উপযোগী টেকসই জুতা ও ভারী চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার সেখানে রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
রুশ শ্রমবাজারের সুযোগ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত জানান, কৃষিকাজ, মৎস্য আহরণ, জাহাজ নির্মাণ ও সেবা খাতে প্রচুর নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বিগত কয়েক মাসে দেশটি ইতোমধ্যে প্রায় ৩ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে ভিসা প্রদান করেছে।