বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
দেশে গ্যাসের সরবরাহ একদিনের ব্যবধানে কিছুটা বেড়েছে। পেট্রোবাংলার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় জাতীয় গ্রিডে মোট ২ হাজার ৪৭৮ দশমিক ১ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এর আগের দিন একই সময়ে সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৩৪৫ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি।
অর্থাৎ একদিনে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে ১৩২ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি বা প্রায় ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পেট্রোবাংলার তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট তথ্য বলছে, দেশে গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের মোট সক্ষমতা রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৮৫৪ এমএমসিএফডি। এর বিপরীতে ১৫ সেপ্টেম্বর সরবরাহ হয়েছে সক্ষমতার ৬৪ দশমিক ৩ শতাংশ। ১৪ সেপ্টেম্বর এ হার ছিল ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ। ফলে একদিনের ব্যবধানে সক্ষমতার ব্যবহারও ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে।
গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)। পেট্রোবাংলার হিসাবে, আরপিজিসিএলের মাধ্যমে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ ১৪ সেপ্টেম্বর ছিল ৭৩১ দশমিক ৬ এমএমসিএফডি। পরদিন তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৫৮ দশমিক ৪ এমএমসিএফডিতে।
এ হিসাবে একদিনে এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে ১২৬ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি, যা প্রায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে দেশীয় কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্রেও উৎপাদন সামান্য বেড়েছে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) উৎপাদন ৪৮২ দশমিক ৪ থেকে বেড়ে ৪৮৩ এমএমসিএফডি হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) উৎপাদন ১০০ দশমিক ৩ থেকে বেড়ে ১০৭ দশমিক ৭ এমএমসিএফডিতে উঠেছে।
তবে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদনে কোনো পরিবর্তন হয়নি। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন ১৩৯ দশমিক ২ এমএমসিএফডিতেই রয়েছে।
আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর (আইওসি) উৎপাদনে অবশ্য সামান্য পতন দেখা গেছে। ১৪ সেপ্টেম্বর আইওসিগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন ছিল ৮৯১ দশমিক ৭ এমএমসিএফডি। ১৫ সেপ্টেম্বর তা কমে ৮৮৯ দশমিক ৯ এমএমসিএফডিতে দাঁড়িয়েছে।
আইওসিগুলোর মধ্যে শেভরনের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন ৭২৪ দশমিক ৮ থেকে কমে ৭২০ এমএমসিএফডি হয়েছে। তবে জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন ১২১ দশমিক ১ থেকে বেড়ে ১২৩ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি হয়েছে। তিতাসেও উৎপাদন ৩২৯ দশমিক ৬ থেকে বেড়ে ৩৩০ দশমিক ৮ এমএমসিএফডিতে পৌঁছেছে।
সামগ্রিক হিসাবে দেখা যাচ্ছে, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন না এলেও এলএনজি সরবরাহ বৃদ্ধির কারণেই জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাসের জোগান উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে সাময়িকভাবে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি তৈরি হয়েছে।