বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

কারিগরি ত্রুটি কাটিয়ে তিন দিন পর ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটটি (ইউনিট-২) পুনরায় পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে ফিরেছে; এর ফলে বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালন পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) এক শীর্ষ কর্মকর্তা।
বিপিডিবির সদস্য মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম জানান, গোড্ডা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-২ থেকে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় শুরু হয়। এরপর ক্রমান্বয়ে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে পূর্ণ ক্ষমতায় পৌঁছালে সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় গ্রিডে আদানির মোট বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিমাণ বেড়ে ১ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়।
আদানি পাওয়ারের সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, আকস্মিক কারিগরি জটিলতার কারণে গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাত থেকে দ্বিতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল।
২০১৭ সালে স্বাক্ষরিত ২৫ বছর মেয়াদি দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) আওতায় আদানি পাওয়ারের কাছ থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ আমদানি করছে বাংলাদেশ। চুক্তি অনুযায়ী, গোড্ডায় নির্মিত কয়লাভিত্তিক এই বৃহৎ কেন্দ্র থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ কেনার বিধান রয়েছে।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে আদানি পাওয়ার বাংলাদেশে দৈনিক গড়ে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছিল।
উল্লেখ্য, ৮০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট নিয়ে গঠিত আদানির গোড্ডা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বিপিডিবির সাথে সম্পাদিত দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির বাধ্যবাধকতার আওতায় শতভাগ উৎপাদিত বিদ্যুৎ একমাত্র বাংলাদেশে সরবরাহের উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হয়ে থাকে।